১৭ অক্টোবর, ২০১৭ | ২ কার্তিক, ১৪২৪ | ২৬ মুহাররম, ১৪৩৯


বাজেটে প্রণোদনা চায় পর্যটন শিল্প

বিবিএন#বৈদেশিক আয় বাড়তে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে এভিয়েশন ও পর্যটন খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (এটিজেএফবি)। বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এই প্রস্তাব দেন তারা।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।

টোয়াবের পরিচালক ও প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল লিমিটেড (পিএটিএ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মহাসচিব তৌফিক রহমান বলেন, ‘বাজেটে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী পর্যটন সংস্থাগুলোর জন্য করমুক্ত যানবাহন আমদানি, টোয়াবের সদস্যদের বিশেষ বিবেচনায় ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠনোর নিশ্চয়তা, ট্যুর অপারেটরদের সম্মানজনক হারে প্রণোদনা দেওয়া এবং কারনেটর মাধ্যমে ক্রস বর্ডার ট্যুরিজম সেবা দেওয়া দরকার।’

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘পর্যটন খাতে প্রণোদনা প্রয়োজন। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করব।’

তিনি বলেন, ‘এভিয়েশনের খাতে জ্বালানি তেলের মূল্য নিয়ে আমরা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলাম। জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন। সারচার্জ ও ল্যান্ডিং চার্জ নিয়ে কাজ চলছে। পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে আরও বেশি সচেতনতা প্রয়োজন।’

অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে। আমরা বরাদ্দ ঠিক করি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে। আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দকৃত অর্থ ছাড়ের জন্য আটকে থাকে, এমন ধারণা ভুল। পর্যটন খাতে শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফারুক খান বলেন, ‘ট্যাক্সের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের পর্যটন খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পর্যটন খাতে ইনসেনটিভ দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। পর্যটন খাতে শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা দেওয়া উচিত।’

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা এখন কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে যেতে পারিনি। তবে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এ খাতের জন্য ট্যাক্স হলিডেসহ আর্থিক প্রণোদন দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা বিদেশি পর্যটক নিয়ে আসেন তাদের জন্য বিশেষ ট্যাক্স ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, এতে এ খাতের সঙ্গে সম্পৃক্তরা উৎসাহ পাবেন।’

নভো এয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশে লাইন্সগুলোর সমস্যার অন্ত নেই। বিশেষ করে উড়োজাহাজের জ্বালানি তেলে দামের মূল্য অতিরিক্ত। অথচ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে আমাদের চেয়ে কম মূল্যে জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। অতিরিক্ত মূল্যের জন্য বিদেশি এয়ারলাইন্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। দেশি এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য সরকারের আরও বেশি সহায়তা প্রয়োজন।’

এএফ/জেআই/এমডি

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।