ভেজিটেবল অয়েল কতটা স্বাস্থ্যকর

ডেস্ক নিউজ#

রান্নার তেলের মধ্যে ভেজিটেবল অয়েলই সবচেয়ে জনপ্রিয়। যার মধ্যে রয়েছে সয়াবিন তেল, কর্ন অয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল এবং সরিষার তেল।এক সময়ে ছিল ঘানিতে ভাঙানো সরিষার তেল। চোখ-মুখ ঝাঁঝানো সেই তেলই ব্যবহার করা হতো গৃহস্থের দৈনন্দিন রান্নায়।কিন্তু যুগবদলের সাথে সাথে  পালটে গেছে মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা বোধ। স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকেও নজর পড়েছে বর্তমান প্রজন্মের। তাই খাঁটি সরিষার তেলের পরিবর্তে বেশিরভাগ বাড়িতেই এখন ব্যবহার করা হয় নানা ধরনের ‘কুকিং অয়েল’। যাতে শরীরে ফ্যাট ও কোলেস্টেরল জমতে না পারে।এসব রান্নার তেলের মধ্যে ভেজিটেবল অয়েলই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। যার মধ্যে রয়েছে, সোয়াবিন অয়েল, কর্ন ওয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল এবং অবশ্যই সরিষার তেল।এসব রান্নার তেলে দৈনন্দিন ব্যবহারে কতটা স্বাস্থ্যসম্মত, তা জেনে রাখা ভাল। বৈজ্ঞানিকদের মতে, কয়েকটি সহজ পন্থা অবলম্বন করা উচিত রান্নার তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রেঅনেক সময়ে কুকিং অয়েল থেকে বাজে গন্ধ বের হয়, যা খাবারেকেও নষ্ট করে। তেলের চর্বি উপাদান খারাপ হয়ে গেলে এমন বাজে গন্ধ হয়। এর মূলত দু’টি কারণ:

১। রান্নার সময়ে বেশি মাত্রায় তেল গরম করলে
২। তেলের পাত্র ঠিক মতো ঢাকা দিয়ে না রাখলে অর্থাৎ, আলো-বাতাসের কারণেও তেলে গন্ধ হতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সায়েন্স জার্নাল ‘অ্যাকোয়াকালচার রিসার্চ’এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যে কোনও ভেজিটেবল অয়েলই ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেন তা কোনওমতেই বেশি তাপমাত্রায় রান্না করা না হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।