২২ অক্টোবর, ২০১৭ | ৭ কার্তিক, ১৪২৪ | ১ সফর, ১৪৩৯


চকরিয়ায় অস্ত্র ঠেকিয়ে জবাই কালে বেঁচে গেলেন যুবক

মোঃ নিজাম উদ্দিন#
চকরিয়া উপজেলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে জবাই করে হত্যার চেষ্টাকালে প্রাণে বেঁচে গেলেন এক যুবক। প্রাণে রক্ষা পাওয়া স্বপণ কান্তি দে (৩২) ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড শান্তির শান্তিরঘাট এলাকার মৃত সুনিল কান্তি দে’র একমাত্র পুত্র। গত ১৭ জুন শনিবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন। এসময় জড়িত চার জনের মধ্য একজন জনতার হাতে আটক হলেও অন্যান্যরা অস্ত্র সহ পালিয়ে যায়। স্বপন কান্তি অভিযোগে জানায় তার পিতা সুনিল কান্তি বিগত ২৭ বছর পূর্বে মারা যায়। পিতা মৃত্যুর পর পৈত্রিক সম্পত্তির অধিকার চাইতে গিয়ে বিভিন্ন সড়যন্ত্র শুরু করেন তার চাচা অর্থাৎ ললিত মোহন দে’র পুত্র মিলন কান্তি দে (৫৫)। আইন আদালত করায় মৃত বড় ভাইয়ের কিছু অংশ ফিরিয়ে দিলেও অবশিষ্ট ২একর ৪০শতক জমি ফিরিয়ে দিতে অপারগ জানায় সে। এনিয়ে একমাত্র অংশীদার ভাইপো স্বপন কান্তিকে চিরতরে শেষ করে দিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা করেন। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে স্থানীয় হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন সড়ক দিয়ে শান্তিরঘাট নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় নদীর কিনারায় চাচা মিলনের নেতৃত্বে উৎপেতে থাকা চিহ্নিত ডাকাত দল তাকে আটক করে। স্বপন আরো বলেন ‘এসময় পার্শ্ববর্তী কাটাখালী গ্রামের চিহ্নিত ডাকাতের সর্দার মৃত ইউছুপ আলীর পুত্র শামশুল আলম প্রকাশ পুতুইক্কা ডাকাত (৫৪) তার মাথায় বন্দুক তাক করে ধরেন। এবং সম্পত্তির অপর অংশীদার মৃত দিনার বন্ধুর পুত্র বিরান কান্তি দে (৪০) তাকে সজোরে লুটিয়ে ফেলে দিয়ে ধারলো দা দিয়ে জবেই করতে প্রস্তুত হয়। ঘটনার মুল হুতা চাচা মিলন কান্তি সহ ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মোঃ হাশেম একটু দুরে মানুষ পাহারা দেয়। ঠিক ওই সময় বাঁচার তাগিদে দুটি চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন বের হয়ে আমাকে উদ্ধার করেন। এসময় অন্যান্যরা পালিয়ে গেলেও স্থানীয় লোকজন বিরান কান্তিকে আটক করেন। পরে স্থানীয় মেম্বারকে খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে আটক বিরান কান্তিকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে রাখেন। এঘটনার দু’দিন আগেও মিলন কান্তির লেলিয়ে দেওয়া তার স্ত্রী মিলি বালা (৫৫) দিয়ে তার উপর হামলা চালায়। তার দায়ের কোপে হাঁড়কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং ওই ঘটনায় চকরিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন স্বপণ কান্তি দে। এভাবে সম্পত্তির অংশীদারিত্ত নিয়ে বারে বারে হত্যার পরিকল্পনায় নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে ওই যুবক। এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আবছার বলেন সে রাত্রের ঘটনায় আটক ব্যক্তিকে জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি সুষ্ঠু সমাধানে বৈঠকে বসে আমরা সমাধানের চেষ্টা চলাচ্ছি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।