১৭ অক্টোবর, ২০১৭ | ২ কার্তিক, ১৪২৪ | ২৬ মুহাররম, ১৪৩৯


রামুর কচ্ছপিয়া যুবলীগ নেতা সোহেল সিকদারকে লক্ষ্য করে গুলি: আটক ১

মো.আবুল বশর নয়ন, নাইক্ষ্যংছড়ি#
রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাতের আধাঁরে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা তাঁকে ল্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে স্থানীয় জনতা এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।  কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা হেলাল উদ্দীন সিকদার জানিয়েছেন- শনিবার দিবাগত রাতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁিড়র নিকটস্থ নিজ অফিস থেকে প্রতিদিনের ন্যায় কাজ সেরে বাড়িতে ফেরার সময় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা সোহেলকে লক্ষ করে গুলি ছুড়ে। বিকট শব্দ শুনে সোহেল মাটিতে লুটে পড়ে। এসময় দুই মিনিট পর আবারও এক রাউন্ড সহ মোট দুই রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এসময় সোহেল সিকদার চিৎকার করলে, প্রতিবেশি লোকজন এগিয়ে এসে তাকে প্রাণে রক্ষা করে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক গর্জনিয়া ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ কাজী আরিফ উদ্দীন এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে সন্দেহজনক চার সন্ত্রাসীর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তবে এসময় কাউকে বাড়িতে পায়নি পুলিশ। পরে স্থানীয় জনতা শফিউল আলম (৩২) নামে এক যুবককে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। সে পূর্ব তিতারপাড়া গ্রামের ছগির আহমদের ছেলে।
সোহেল সিকদার সাংবাদিকদের জানান- ‘প্রথম গুলি বাম পাশ দিয়ে চলে যায় দ্বিতীয় গুলিটা আমি শুয়ে গেলে আমার উপর দিয়ে যায়’।
গর্জনিয়া ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ কাজী আরিফ উদ্দীন জানান- ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে এক যুবককে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ঘটনার বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য শনিবার বিকালে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম ও এম সেলিমের গ্রুপের সাথে যুবলীগ নেতা নাছির উদ্দীন সোহেল সিকদারের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে কচ্ছপিয়ায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।