২৩ নভেম্বর, ২০১৭ | ৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ | ৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯


বিবিএন শিরোনাম
  ●  আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত বক্তব্য দিচ্ছেন খালেদা   ●  কক্সবাজারে ১০ অস্ত্রসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেফতার   ●  ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে: প্রধানমন্ত্রী   ●  ৩১ জেলায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ১ ডিসেম্বর   ●  নেইপিডোয় দিনভর বৈঠক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আজ চুক্তি সই   ●  কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে: প্রধানমন্ত্রী   ●  হাটহাজারীতে নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্রীর লাশ উদ্ধার   ●  কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ১৬ টি ভবনের নকশা অনুমোদন   ●  বিয়ের ৬ মাস পর গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার পেকুয়ায়   ●  মানব পাচারকারীদের চিহ্নিত করে খবর দেন-সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

ঘূর্ণিদূর্গত কুতুবদিয়ার দারিদ্র পীড়িত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিমান খাদ্য বিতরণ

লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া#
ঘূর্ণিদূর্গত এলাকার দারিদ্র পীড়িত জনগোষ্ঠির স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিমান খাদ্য বিতরণ কর্মসূচী চালু করায় কুতুবদিয়া উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি শতভাগে পৌছে গেছে। গত সেপ্টেম্বর মাস হতে এ কর্মসূচী চালু হয়েছে বলে এনজিও ইপসার উপজেলার কো-অডিনেটর নুর মোহাম্মদ জানান। তিনি আরো জানা গেছে, ঘূর্নিদূর্গত এলাকার দারিদ্র পীড়িত শিশুদের পুষ্টিমান খাদ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষে দাতা সংস্থা ওয়াল্ড ফুড় প্রোগ্রাম এর আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় কুতুবদিয়া উপজেলার ৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুষ্টিমান খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। কুতুবদিয়া উপজেলায় ৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজার ৭শ ৯০জন শিক্ষার্থী শিশুদের মাঝে গত সেপ্টেম্বর মাস হতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপস্থিত প্রত্যেক শিশুকে দৈনিক এক প্যাকেট উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন বিস্কুট বিতরণ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচীর আওতায় গত ১২ অক্টোবর কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুজন চৌধূরীর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদের হল রুমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিশুকে পুষ্টিমান খাদ্য হিসেবে খাওয়ার জন্য দুই কেজি ওজনের সৌদি আরবের খেজুর বিতরণ করা হয়। কুতুবদিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওমর ফারুক বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর হতে কুতুবদিয়া উপজেলার ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিমান খাদ্য বিস্কুটের প্যাকেট বিতরণ করায় বর্তমানে বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়। এছাড়াও এক মাসের মাথায় প্রত্যেক শিক্ষার্থী শিশুকে দুই কেজি ওজনের খেজুর বিতরণ করা হয়েছে। কৈয়ারবিল জিএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হাসমত জাহান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুষ্টিমান খাদ্য বিতরণের ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদের পুষ্টির মান ধরে রাখার জন্য সরকারের এ মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দ্রারিদ্র পীড়িত জনগোষ্ঠি ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধূরী। তিনি আরো বলেন, কুতুবদিয়া দ্বীপের উপকূলবর্তী এলাকার জনবসতির ঘরভিটিতে প্রতিনিয়তই জোয়ার-ভাটা বসছে। বিগত ৬ বছর ধরে কুতুবদিয়া উপকূলের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) ৭১ পোল্ডারের ২৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সম্পূর্ণ বিলীন থাকায় সাগরের জোয়ার-ভাটা এ এলাকার জনগোষ্ঠির জীবনজীবিকা চরম দারিদ্র সীমার নীচে চলে গেছে। ঐ জনগোষ্ঠির স্কুল পড়–য়া শিশুরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল। দূর্গত এলাকার জন্য সরকার ওর্য়াল্ড ফুড় প্রোগ্রাম পুষ্টিমান খাদ্য বিতরণ চালু করায় আবারো স্কুল পড়–য়া শিশুরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি বেড়ে গেছে। এনজিও ইপসার কুতুবদিয়া উপজেলার কো-অডিনেটর নুর মোহাম্মদ জানান, কুতুবদিয়া উপকূলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে উচ্চ পুষ্টিমান খাদ্য বিতরণ প্রোগ্রাম আগামী এক বছর চলবে বলে তিনি এ প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।