২১ মার্চ, ২০১৯ | ৭ চৈত্র, ১৪২৫ | ১২ রজব, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ৪ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার   ●  ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলাই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর প্রতিজ্ঞা: প্রধানমন্ত্রী   ●  নৌকার সর্মথনে ঈদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন   ●  নিউজিল্যান্ডের রেডিও-টেলিভিশনে আজান সম্প্রচারের ঘোষণা   ●  গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দোকানির পা বিচ্ছিন্ন   ●  টেকনাফে স্টীল পাইপের ভেতরে ইয়াবা পাচারকালে আটক ২   ●  পালানোর পথে ১২ রোহিঙ্গা খুটাখালী থেকে আটক   ●  কক্সবাজারের ৬ উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে   ●  টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে আগুনে পুড়ল ২০ ঘর   ●  আল্লাহর কসম, ইসলাম গ্রহণ করে আমি সম্মানিত: মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী

জান্নাত ও জাহান্নাম

কোরআন জাহান্নামের ভয়ের পাশাপাশি জান্নাতের আরাম-আয়েশ, সুখ-সমৃদ্ধির আলোচনাও ব্যাপকভাবে করেছে।জান্নাতের কথা বলতে গিয়ে সূরা আলে ইমরানে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা পরহেজগারী অবলম্বন করেছে, সেসব বান্দার জন্য তাদের পরওয়ারদেগারের কাছে এমন জান্নাত (বরাদ্দ) রয়েছে (অর্থাৎ, এমনসব উদ্যানবাড়ি রয়েছে), যেগুলোর তলদেশ দিয়ে প্রস্রবণ প্রবাহিত। তাতেই তারা বসবাস করবে অনন্তকালব্যাপী এবং পবিত্র-পরিচ্ছন্ন স্ত্রীরা রয়েছে তাদের জন্য। আরও রয়েছে আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি। আর আল্লাহ তার সমস্ত বান্দাকেই দেখেন (কারো অবস্থাই তার কাছে গোপন নয়।)’ (সূরা আলে ইমরান : আয়াত ১৫)। সূরা মুহাম্মাদে বলা হয়েছে, ‘যে জান্নাতের ওয়াদা পরহেজগারদের দেয়া হয়েছে তার অবস্থা হলো এই যে, তাতে বহু নহর (প্রস্রবণ) রয়েছে পানির। তাতে সামান্যও পরিবর্তন হবে না। অনেক নহর রয়েছে দুধের, যার স্বাদ সামান্যও বদলায় না। অনেক নহর রয়েছে বৈধ ও পবিত্র পানীয়র, যাতে রয়েছে পানকারীদের জন্য বিপুল স্বাদ। অনেক নহর রয়েছে বিশুদ্ধ মধুর। আর তাদের জন্য জান্নাতের ভেতরে রয়েছে সব রকমের ফলমূল। সাথে সাথে রয়েছে তাদের পালনকর্তার ক্ষমা।’ (সূরা মুহাম্মাদ : আয়াত ১৫)।সূরা হিজরে বলা হচ্ছে, ‘বিশ্বাস করো, আল্লাহতায়ালার পরহেজগার বান্দারা বেহেশতের বাগান ও প্রস্রবণসমূহে বসবাস করবে। (তাদের প্রতি নির্দেশ হবে) নিরাপত্তা ও প্রশান্তির সাথে (আমার নির্মিত) বেহেশতের ভেতরে চলে এসো।বস্তুত তাদের অন্তরে (পার্থিব জীবনের মতবৈচিত্রের দরুন বা বিভেদজনিত) যে বিদ্বেষ থাকবে, আমি তা দূর করে দেবো। (ফলে তারা) পরস্পর ভাই ভাই হিসেবে সামনাসামনি উচ্চাসনে বসবে। সেখানে তাদের কোনো রকম কষ্ট হবে না, নাই বা কাউকে জান্নাত থেকে কখনও বহিষ্কার করা হবে।’ (সূরা হিজর : আয়াত ৪৫-৪৭)।সূরা ইয়াসীনে ইরশাদ করা হয়েছে, ‘সেদিন জান্নাতবাসীরা নিজেদের কর্মে আনন্দিত থাকবে। তারা এবং তাদের স্ত্রীরা স্নিগ্ধ ছায়াঘন বাতাবরণে পালঙ্কের ওপর হেলান দিয়ে উপবিষ্ট থাকবে। যেখানে তাদের জন্য নানাবিধ ফলমূল মজুদ থাকবে এবং যা কিছু তারা চাইবে তাই পাবে। রহমত ও করুণার আধার আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে তাদেরকে সালাম জানানো হবে।’ (সূরা ইয়াসীন : আয়াত ৫৫-৫৮)।সূরা যুখরুফে বলা হয়েছে, ‘হে আমার বান্দাগণ, আজকের দিনে তোমাদের কোনো ভয়ভীতি নেই। এবং এখন আর তোমাদের কোনো চিন্তা-ভাবনাও হবে না। অর্থাৎ যেসব বান্দা আমার আয়াতসমূহের ওপর ঈমান এনেছে এবং আমার আনুগত্য করেছে (তাদের উদ্দেশে বলা হবে), তোমরা এবং তোমাদের স্ত্রীরা সানন্দে জান্নাতে ঢুকে পড়।অতঃপর সোনার পাত্রে ও পিয়ালায় পানাহারসামগ্রী তাদের সামনে উপস্থিত করা হবে। সেখানে সেসব কিছুই মজুদ থাকবে, যা তাদের মন চাইবে এবং যা দেখে চোখ পরিতৃপ্ত হবে। আর (বলা হবে, হে বান্দাগণ), তোমরা চিরকাল এতে বসবাস করতে থাকবে।’ (সূরা যুখরুফ : আয়াত ৬৮-৭১)।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।