১৬ জুন, ২০১৯ | ২ আষাঢ়, ১৪২৬ | ১২ শাওয়াল, ১৪৪০


ঈদগাঁওয়ে দুই দিনের মাথায় ফের ৪ গরু ডাকাতি!

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও:কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওয়ে ফের ৪টি গরু ডাকাতি হয়েছে। রবিবার ভোর রাত ৪টার দিকে ঈদগাঁও ইউনিয়নের উত্তর মাইজপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।ক্ষতিগ্রস্থ গরু মীলিকরা জানান,প্রতি রাতের মত গোয়াল ঘরের দরজা বন্ধ করে তারা ঘুমিয়ে পড়ে । সঙ্গবদ্ধ ডাকাত দল রাতে গোয়াল ঘরের দরজা ভেঙে পৃথক মালিকের ৪ টি গরুু লুট করে নিয়ে যাই। তারা সকালে ঘুম থেকে জেগে দেখতে পান গোয়ালের দরজার – তালা ভাঙ্গা এবং গরু নেই । গরু মালিক হচ্ছে উক্ত এলাকার সেলিম উল্লাহ ও রমিজ রাজা।গরু ৪ টির আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্থরা।ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ৪ টি গরু লুটের ঘটনা তিনি এখনো অবগত নয় এবং কেউ অভিযোগও করেনি।উল্লেখ্য , গত ১১ এপ্রিলও ঈদগাঁওয়ের বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকটি গরু একই কায়দায় ডাকাতি হয়। সচেনত জনগণের প্রশ্ন, মহাসড়কের ঈদগাঁও ও খুটাখালী মেধা কচ্ছপিয়া ঢালায় রাতেপৃথক নিয়মিত টহল পুলিশ থাকার পরও কিভাবে দিনের পর দিন সশস্ত্র ডাকাতদল গাড়ি যোগে গরু লুট করে পার পেয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে পুলিশের ভুমিকায় জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।বিগত বছরাধিককাল পূর্বে ঈদগাঁও থেকে গরু লুট করে চকরিয়ার দিকে নিয়ে যাওয়ার পথে এলাকাবাসী ধাওয়া করে খুটাখালীর নতুন পাড়া নামক মহাসড়ক এলাকায় গণধোলাইতে এক ডাকাত মারা গেলেও অন্যরা পালিয়ে যাই।এরপর কিছুদিন বন্ধ থাকলেও পরে তা নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ চক্র। বিগত দুই বছর পূর্বে নতুন অফিসের এক বাড়ি থেকে লুট করা ৪টি গরুর মধ্যে একটি গরু চকরিয়ার বদরখালী সংলগ্ন স্থানের একটি গোপন গরুর ডিপো থেকে একটি গরু উদ্ধার হলেও অবশিষ্ট গরু উদ্ধারে প্রশাসন রহস্যময় কারণে সহযোগীতা করেনি বলে জানান ক্ষতিগ্রস্থ মালিক।মূলত লুটকৃত গরু গুলো ঐ এলাকার নির্দিষ্ট স্থানে জমা করে, পরে ওখান থেকে গাড়ি যোগে জবাই করা মাংস বা গরু দেশের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি যোগে পাচার হয়ে আসছে বলে সর্বমহলে প্রচার আছে। তবে এর পেছনে প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্র ও অপরাধিদের হাত থাকার কারণে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে হিমশিম খাচ্ছে বলে সচেতন মহলের অভিযোগ ।অবিলম্বে তদন্ত পূর্বক এ গরু লুট চক্রকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিতে উর্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।