২০ এপ্রিল, ২০১৯ | ৭ বৈশাখ, ১৪২৬ | ১৪ শাবান, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম

পর্যটন নগরীতে উৎসাহ-উদ্দীপনায় জলকেলী উৎসব শুরু

এম.এ আজিজ রাসেল:পর্যটন নগরী কক্সবাজারে রাখাইন সম্প্রদায়ের জলকেলীর মূল উৎসব শুরু হয়েছে বুধবার থেকে। এ উপলক্ষে বর্ণিল রূপে সেজেছে রাখাইন পল্লীগুলো। রাখাইন বর্ষ ১৩৮০ কে বিদায় জানিয়ে পাপ আর কালিমা মুছে নতুন ১৩৮১ রাখাইন বর্ষকে বরণ করতে রাখাইন সম্প্রদায় মেতেছে জলকেলির প্রাণের উৎসবে। তাদের ভাষায় এই উৎসবকে বলা হয় ‘সাংগ্রেং পোয়ে’ বা (রি লং)। আগামী শুক্রবার এই উৎসব সম্পন্ন হবে । শহরের পূর্ব মাছ বাজার, পশ্চিম মাছ বাজার, ক্যাং পাড়া, হাঙর পাড়া, টেকপাড়া ও বৌদ্ধ মন্দির এলাকায় ১০-১২টি নান্দনিক প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার প্যান্ডেলের সংখ্যা কম বলে জানা গেছে। শহর ছাড়াও মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, হারবাং, রামু, টেকনাফ, উখিয়া, চৌফলদন্ডীসহ জেলার রাখাইন অধ্যুষিত এলাকায় চলছে এই উৎসব। চট্টগ্রাম পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের ইন্সট্রাক্টর উ থু য়াইন জানান, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের শহর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাখাইনদের নববর্ষ উৎসব প্রতি বছরের মতো এবারও বেশ ঝাঁকঝমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হচ্ছে। রাখাইনদের এ উৎসবের মূল লক্ষ্য অতীতের সকল ব্যাথা-বেদনা, গ্লানি ভুলে গিয়ে ভবিষ্যতে নব উদ্যোমে এগিয়ে যাওয়া। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বুধবার দুপুর থেকে রাখাইন আবাল বৃদ্ধা বণিতা নতুন ও আকর্ষণীয় পোষাক পরিধান করে প্যান্ডেলে গিয়ে একে অপরকে জল ছিটিয়ে আনন্দ প্রকাশ করছে। এসময় ঢোল আর বাদ্য বাজনার মাধ্যমে নাচ-গানসহ চলে আনন্দঘন অনুষ্ঠান। কক্সবাজার আদিবাসি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মং থে হ্লা বলেন, ‘আমরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটানোর মধ্য দিয়ে পুরনো দিনের সকল ব্যাথা, বেদনা, হিংসা বিদ্বেষ ভুলে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি। এটি আমাদের কাছে খুবই পবিত্র ও আনন্দের দিন।’ কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, জলকেলী উৎসব উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাড়তি নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও মাঠে রয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।