২০ এপ্রিল, ২০১৯ | ৭ বৈশাখ, ১৪২৬ | ১৪ শাবান, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম

বাইশারী-দোছড়ি সড়কে চলছে কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়নমূলক কাজ

আব্দুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি:বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের নারিচবুনিয়া-দোছড়ি ভায়া লংগদুর মুখ বাঁকখালী সড়কে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়নমূলক কাজ। এ সড়কটির কাজ পুরোপুরি শেষ হলে নতুন দিগন্তের ধার উম্মোচন হবে দূর্গম জনপদে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর। রাবার সেক্টরে যাতায়তে আসবে নতুনত্ব। বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি সুবিধা ভোগ করবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের হাজারো মানুষ। এলজিইডি সুত্রে জানা যায়, ৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪ কিলোমিটার সড়কে কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়নমূলক কাজ, গাইটওয়াল, কালভার্ট নির্মাণের কাজ গত মার্চ মাসেই শুরু হয়েছে। আগামী জুন মাসের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানান উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম।ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মিল্টন ট্রেডার্স ও কাশেম কনট্রাক্শন যৌথভাবে এ কাজের দায়িত্ব পেয়েছেন। ঠিকাদার জসিম উদ্দিন বলেন যত দ্রুত সম্ভব তিনি কাজটি সম্পন্ন করে ফেলবেন।সড়কটি কার্পেটিংয়ের দ্বারা উন্নয়নের ফলে বাইশারী ও দোছড়ি ইউনিয়নের পাহাড়ী-বাঙ্গালী কয়েক হাজার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে বলে জানান স্থানীয় গ্রামবাসী ও আওয়ামী লীগ নেতা সাহাব উদ্দিন। সড়কটি নির্মাণ হলে দুর্গম পাহাড়ে উৎপাদিত শাক-সবজি, ফল-ফলাদি, ধান-চাউল সহজে গাড়িযোগে নিয়ে এসে নায্যমূল্যে বাজারে বিক্রি সম্ভব হবে বলেও জানালেন কৃষক মোস্তাক আহমদ।তাছাড়া ওই সড়কের দুই পাশে রয়েছে কয়েক হাজার একর রাবার বাগান। সড়কটি নির্মাণের ফলে সহজেই রাবার ব্যবসায়ীরা গাড়িযোগে রাবার সিট ও কষ বহনে সক্ষম হবে এবং সরকারও লাখ লাখ টাকা রাজস্ব পাবে বলে জানালেন নাজমা খাতুন রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক মো. আল আমিন।নাইক্ষ্যংছড়ি এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী মো. তোফাজ্জল হোসেন ভুঁইয়া জানান, নো কমপ্রমাইজ নীতিতে তারা অটল। শতভাগ কাজের গুনগত মান বজায় রেখে কাজ আদায় করে নিবে। কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে। তিনি আরো বলেন- উক্ত সড়কে আগামীতে আরো ৪ কিলোমিটার সড়ক কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন হবে। যার ফলে বাইশারী ইউনিয়নের সাথে দৌছড়ি ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি সহজতর হবে। বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলম কোম্পানী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি’র আন্তরিকতায় বর্তমানে বাইশারী-ঈদগড় সড়কের ৮ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ, কালভার্ট, ব্রিজ, বিশুদ্ধ পানীয় জলের জন্য গভীর নলকুপ স্থাপন, দূর্গম জনগোষ্ঠীর মাঝে সৌরবিদ্যুৎ বিতরণ সহ শত কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে।তিনি আরো বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় মন্ত্রী মহোদয় আগামীতে বাইশারী ইউনিয়নের দূর্গম জনপদ আলীক্ষ্যং, কাগজীখোলা, ক্যাংগারবিল, দৌছড়ি ইউনিয়নের বাঁকখালী, কুরিক্ষ্যং, কালুরঘাট, পাইনছড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজের আশ্বাস দিয়েছেন। বাকী কাজগুলো অচিরেই শুরু হবে বলেও চেয়ারম্যান মো. আলম অভিমত ব্যক্ত করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।