১৭ জুন, ২০১৯ | ৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ১৩ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাঁও নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আইনি নোটিশ   ●  উখিয়ায় ৪ যুবক সহ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ   ●  সেনাবাহিনীকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী   ●  কক্সবাজার কারাগারে অনুসন্ধানের শুরুতেই দুর্নীতির প্রমাণ পেলো দুদক   ●  টেকনাফে বন্দুক যুদ্ধেে নাইক্ষ্যংছড়ি ছাত্রলীগ নেতা নিহত   ●  ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রফিকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার   ●  ঢাকার শাহবাগ থেকে ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেপ্তার   ●  যেকোনো প্রকার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকুন : প্রধানমন্ত্রী   ●  সেই কিশোরের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলো সৌদি আরব   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

যেসব কাজে রোজা ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি

রমজানের রোজা পালন করা মানুষের জন্য ফরজ ইবাদাত। কিছু কিছু কাজ রয়েছে যাতে রোজাদারের রোজা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই এ কাজের ব্যাপারে সর্তক থাকা আবশ্যক। আর তাহালো- >খাবারের স্বাদ নেয়া রান্নার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি প্রয়োজনে খাবারের স্বাদ দেখতে পারবে। কিন্তু প্রয়োজন ছাড়া কোনো খাবারের বা কোনো বস্তুর স্বাদ গ্রহণ করলে বা চিবালে তা পেটে চলে গেলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। আর অযথা স্বাদ নিলে বা চিবালে রোজা মাকরূহ হয়ে যাবে। তবে যারা রান্না করেন, তারা স্বাদ দেখে তা না গিলে মুখ থেকে ফেলে দিতে হবে। মুখের লা লা বা থুতু খাওয়া ইচ্ছাকৃতভাবে মুখের মধ্যে থুতু জমা করে তা গিলে ফেললেও রোজা মাকরূহ হয়ে যাবে। তবে মাকরূহ কাজ বার বার করলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। আসক্তিসহ স্ত্রীকে চুম্বন রোজা রেখে দিনের বেলায় স্ত্রীকে চুম্বন বা আলীঙ্গন করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। কারণ এর ফলে যদি বীর্জপাত হয় তবে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এ অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা বা জড়িয়ে ধরা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। পেস্ট বা মাজন দিয়ে ব্রাশ করা রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট বা টুথ পাউডার, মাজন বা কয়লা ইত্যাদি দিয়ে দাঁত মাজা মাকরূহ। তবে কোনো কিছু ছাড়া শুধু মিসওয়াক করলে রোজা মাকরূহ হবে না। অশ্লীল কাজ রোজা রেখে অশ্লীল সিনেমাসহ অশালীন ছবি দেখা বা যৌন উত্তেজক লেখা পড়লে হলে রোজা মাকরূহ হয়ে যাবে। আর যদি এর ফলে বীর্জপাত হয় তবে রোজা ভেঙে যাবে। অস্থিরতা দেখানো রোজা রেখে হা-হুতাশ করা; ক্রমাগতভাবে অস্থিরতা প্রকাশ করতে থাকলে রোজা মাকরূহ হয়ে যাবে। আর একাজ বার বার করতে থাকলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। সুতরাং রোজা অবস্থায় আল্লাহর ভালোবাসায় ধৈর্য ধারণ করতে হবে। অস্থিরতা প্রদর্শন করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত বিষয়সমূহ থেকে বিরত থেকে সঠিকভাবে রোজা পালন করে তাকওয়া অর্জন এবং গোনাহ থেকে মুক্ত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।