১৭ জুন, ২০১৯ | ৩ আষাঢ়, ১৪২৬ | ১৩ শাওয়াল, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাঁও নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আইনি নোটিশ   ●  উখিয়ায় ৪ যুবক সহ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ   ●  সেনাবাহিনীকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী   ●  কক্সবাজার কারাগারে অনুসন্ধানের শুরুতেই দুর্নীতির প্রমাণ পেলো দুদক   ●  টেকনাফে বন্দুক যুদ্ধেে নাইক্ষ্যংছড়ি ছাত্রলীগ নেতা নিহত   ●  ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রফিকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার   ●  ঢাকার শাহবাগ থেকে ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেপ্তার   ●  যেকোনো প্রকার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকুন : প্রধানমন্ত্রী   ●  সেই কিশোরের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলো সৌদি আরব   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

গাঁজা ব্যবসায়ী সাঝিয়ে আদালতে সোপর্দঃ নিন্দার ঝড় :

মাদক ও মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় রোষানলে মেম্বার

মাদক ব্যবসায়ী আটক করে পুলিশকে সংবাদ না দেওয়ায় এক ইউপি সদস্যকে আটক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আটকের সংবাদের এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। আটককৃত মোক্তার আহমদ কক্সবাজার সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য। এ সময় পেশাদার এক মাদক ব্যবসায়ীসহ আরো দুইজনকে সন্দেহজনক আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। তারা হল ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পাহাশিয়া খালী গ্রামের মৃত নুর আহমদ খলিফার ছেলে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাফর আহমদ, জালালাবাদ তেলী পাড়া এলাকার মোহাম্মদ নাছিরের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, হারুন অর রশিদের ছেলে ইমাম হোসেন। ২৬ মে বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে বাজারের পশ্চিমে হাদেমর চর এলাকার মনির মুন্সির কলোনির সামনে থেকে তাদের ধৃত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন আটকের আগ মুহূর্তে মোজাফফর আহমদ বিক্রির উদ্দেশ্যে আনুমানিক ১ কেজি গাঁজা নিয়ে অবস্থান করছিল। আরেকটু অদূরে এলজিএসপির একটি প্রকল্পের কাজ তদারকি করছিল মোক্তার আহমদ মেম্বার। পরক্ষণেই মেম্বার বিষয়টি জানতে পেরে গাঁজাসহ মোজাফফর আহমদকে ধরে পেলে। পরে তার কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশকে জানানোর আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে একদল পুলিশ। তারপর গাঁজাসহ মোজাফফর আহমদকে আটক করে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই কাজী আবুল বাসারসহ একদল সঙ্গীয় ফোর্স। এ সময় মোক্তার মেম্বারকে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে নেওয়া হয় দেলোয়ার ও ইমাম হোসেন নামের দুই কিশোরকে।পরে তাদেরকে মামলা দিয়ে ফাসানোর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা। তদন্ত কেন্দ্রের এসআই কাজী আবুল বাসার জানিয়েছেন হাদেমরচর এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে একজন মাদক ব্যবসায়ী অপেক্ষা করছে মর্মে গোপন সংবাদ পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয় । এ সময় পলিব্যাগ মোড়ানো এক কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় মোজাফফর আহমদ থেকে। দেলোয়ার ও ইমাম হোসেনের কাছেও গাঁজা পাওয়া যায় বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। জানতে চাইলে এসআই বাসার আরো বলেন, মোক্তার আহমদ মেম্বারকে মাদক নিয়ে আটক করা হয়নি। তার কাছে কোন ধরনের মাদক পাওয়া যায়নি। মুলত গাঁজা ব্যবসায়ী মোজাফফর আহমদকে ধৃত করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে গড়িমসি করায় তাকে ডেকে আনা হয়েছে। রাতে তাকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার কথা হলেও সকালে অদৃশ্য শক্তির ইশারায় মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ । অপরদিকে মোক্তার মেম্বার জানিয়েছেন তার নির্বাচনী এলাকায় কয়েকটি মাদক সিন্ডিকেট উঠে পড়ে লেগেছে। ইতিমধ্যেই ১৪ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মানবপাচারকারীর তালিকাসহ প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সচিব, আইজি, দুদক, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র‌্যাব,গোয়েন্দা সংস্থা এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছে মোক্তার মেম্বার ।সে থেকেই মাদক ব্যবসায়ী , নির্বাচনী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে । তিনি এ ঘটনার সাথে বিন্দু পরিমাণ জড়িত নয় বলে দাবী করেন। এ বিষয়ে জানতে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তদন্ত ওসি মোঃ আসাদুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি মামলা সাক্ষী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছে। বিস্তারিত তথ্য নিয়ে জানাবেন বলে জানায়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।