২১ জুলাই, ২০১৯ | ৬ শ্রাবণ, ১৪২৬ | ১৭ জিলক্বদ, ১৪৪০


আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার:

ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রফিকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

কক্সবাজার ঈদগাঁও ঈদগড় সড়কে গুলিবিদ্ধ লাশের পরিচয় মিলেছে। নিহত রফিকুল ইসলাম কক্সবাজার শহরের জাদীরাম পাহাড় সংলগ্ন ব‌ইল্ল্যা পাড়া এলাকার বাদশা মিয়া প্রকাশ বাদশা কবিরাজের ছেলে বলে জানা গেছে।তার লাশের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কক্সবাজার শহরের একজন গনমাধ্যমকর্মী তাকে চিহ্নিত করেন। প্রাপ্ত তথ্য ও খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় আজ ১৬ জুন সকাল ১০ টার দিকে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা নামক স্থানে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা।পরে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ওসি তদন্ত মোঃ আসাদুজ্জামানের নির্দেশে এসআই আবু বক্কর ছিদ্দিক ও কাজী মোঃ আবুল বাসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার পুর্বক সুরহতাল রিপোর্ট তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরী এলজি এবং ইয়াবাও উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। নিহত রফিকুল ইসলাম মাদক ব্যবসায়ী বলে ধারণা করছেন পুলিশ। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি জানান রফিকুল ইসলাম গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির সাথে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। অসমর্থিত একটি সূত্র জানায়, নিহত রফিকুল ইসলাম পাহাড়ে অপহরণ বানিজ্যে জড়িত ছিল। তাছাড়া মাদক, ডাকাতি, ছিনতাইসহ ১০/১২ টি মামলা ছিল বলে সূত্রে জানা যায়। তাকে আটকের পর স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঈদগড় পাহাড়ে অভিযানে গেলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা রফিকুল ইসলামের সাঙ্গপাঙ্গরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীও গুলি চালায় বলে জানা যায়। এক পর্যায়ে রফিকুল ইসলাম নামের এক মাদক কারবারী ও অপহরণকারীর মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে জানতে কক্সবাজারের ডিবির ওসি হুমায়ুন কবিরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।