২৪ জুলাই, ২০১৯ | ৯ শ্রাবণ, ১৪২৬ | ২০ জিলক্বদ, ১৪৪০


অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুরের শাহিনকে আদালতে প্রেরণঃবাচ্চুর জামিন না মঞ্জুর !

হোটেল মোটেল জোন এলাকায় ওয়াল্ড বীচ নামের ছাত্রদল নেতা শাহিনুল ইসলাম শাহিনের হোটেলে নারী নিয়ে ফুর্তি করার সময় আটক হওয়া সদরের ইসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনজুর আলমের ছেলে মোঃ শাহিনকে নানা নাটকীয়তার মধ্যে দিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে আটক হওয়া ধর্মের ছড়া এলাকার মৃত আবুল বশরের ছেলেকে ইয়াবা মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গতকাল দুপুর ৩ টার দিকে কলাতলীস্থ ওয়াল্ড বীচ নামের এক হোটেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় সদর মডেল থানার একদল পুলিশ। এসময় হোটেলটির ৪২৭/৪২৯ নং কক্ষ থেকে জনৈক এক নারীর সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আঃলীগ সভাপতি মনজুর আলমের ছেলে মোঃ শাহিন ও তার তালত বাচ্চুকে আটক করে। ঐ সময় তাদের কক্ষ থেকে মদের বোতল, ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। তাদের আটকের পর থেকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের দৌড়ঝাপ শুরু হয়। মনজুর চেয়ারম্যানের ছেলেকে ছাড়িয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে জামিন যোগ্য ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়। একই সাথে আটক হওয়া মোঃ বাচ্চুকে ৬০ পিস ইয়াবা নিয়ে আদালতে হাজির করেন পুলিশ।জামিন যোগ্য মামলায় শাহিনকে আদালতে সোপর্দ করায় তার প্রেমিকা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ খবর নিয়ে আরো জানা যায়, শাহিনের সাথে ঈদগাঁও এলাকার এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে শারীরিক মিলনও হয়। এদিকে মেয়ে বার বার বিয়ের প্রস্তাব দিলেও সাড়া না দেওয়ায় কৌশলে হোটেলে নিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় আটক করিয়েছেন। কিন্ত প্রভাবশালী নেতাদের তদবিরের কারনে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে মেয়েটি। তাদের আদালতে সোপর্দ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দীন খন্দকার। অন্যদিকে আটক শাহিনের সংবাদ গনমাধ্যমে প্রকাশ হলে উঠে আসে নানান রকম কাহিনী। শাহিনের বাবা সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আলম আওয়ামীলীগের সভাপতি পদটি আগলে রেখে ছেলেদের দিয়ে নানা রকম অপরাধ সংগঠিত করছে। কেউ প্রতিবাদ করলে নেমে আসে নির্যাতন ও মিথ্যা বানোয়াট হয়রানি মুলক মামলা। ইতিপূর্বে শাহিনের ভাই দেলোয়ারও ইয়াবাসহ এক নারী নিয়ে ঈদগাহ বাসস্ট্যান্ডের এক ভাড়া বাসা থেকে পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল। একই ভাবে অপর দুই ভাই ফাহিম, ইমরান ইয়াবা নিয়ে পুলিশের হাতে ধৃত হয়েছিল। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সভাপতি মনজুর চেয়ারম্যানের ছেলেদের এহেন কর্মকান্ড নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছে। তারা উক্ত সভাপতির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে দলীয় হাই কমান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।