২০ জুলাই, ২০১৯ | ৫ শ্রাবণ, ১৪২৬ | ১৫ জিলক্বদ, ১৪৪০


ইসলামপুর আঃলীগ সভাপতি মনজুরের ছেলে ফাহিম ইয়াবা নিয়ে পুলিশের জালে, চোলাই মদসহ দুই উপজাতীয় যুবক আটক

কক্সবাজার সদর উপজেলার ১নং ইউনিয়ন ইসলামপুরের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ সভাপতি মনজুর আলমের ছেলে মিনহাজুল আবেদীন ফাহিমকে বিক্রি কালে ৫১ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ফাহিমের বাড়ি ইসলামপুর ইউনিয়নের ধর্মের ছড়া । ৫ জুলাই রাত ৯ টার দিকে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের আউলিয়াবাদস্থ তার শ্বশুর বাড়ির এরিয়া থেকে বিক্রি কালে তাকে আটক করা হয়।ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ওসি তদন্ত মোঃ আসাদুজ্জামান বিবিএনকে জানান,ইসলামাবাদ আউলিয়াবাদ এলাকায় এক যুবক ইয়াবা বিক্রি করছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আবু বক্কর ছিদ্দিক, এএসআই মহি উদ্দীনসহ একদল সঙ্গীয় ফোর্স সেখানে পাঠানো হয়। পরে অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ৫১ পিস ইয়াবা পাওয়া যায় বলে জানান অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদ্বয়। ইতিপূর্বে আটককৃত ফাহিম ইয়াবা নিয়ে আরেকবার আটক হয়ে জেল কেটেছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। তার বাবা মনজুর আলম চেয়ারম্যান স্থানীয় আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় একটি মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তুলে। তাছাড়া তার ভাই দেলোয়ার, ইমরানের বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক মাদকের মামলা।তাদের রয়েছে মাদকের বিশাল নেটওয়ার্ক। অপর দিকে পাচারকালে ঈদগাঁও ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা নামক এলাকায় যাত্রীবাহী সিনএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ৫০ লিটার চোলাইমদসহ দুই উপজাতীয় যুবককে আটক করে পুলিশ। আটককৃত বাইশারী ইউনিয়নের মু অং পাড়ার উচাইসুই মার্মার ছেলে মোইয়ক্যহলা প্রকাশ ক্য ক্য (২২)অপরজন একই এলাকার মং থোইয়াচিনং মার্মার ছেলে টো টো মার্মা (১৯)। পুলিশ জানায় ৫ জুলাই সকালে বাইশারী থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে সিনএনজি যোগে চোলাইমদ পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদ পেয়ে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামানের নির্দেশে এসআই কাজী আবুল বাসার, এএসআই বিলাস সরকার এবং ঈদগড় সড়কে টহলরত পুলিশ হিমছড়ি ঢালায় চৌকি বসায়। পরে সিএনজিটি তল্লাশি করে ৫০ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। পাচারে জড়িত উল্লেখিত দুই যুবককে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলা রুজু করে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানান ইনচার্জ। জানতে চাইলে ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, বৃহত্তর ঈদগাঁওতে কোন মাদক ব্যবসায়ীকে থাকতে দেওয়া হবে না। প্রতিদিন মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।