২১ জুলাই, ২০১৯ | ৬ শ্রাবণ, ১৪২৬ | ১৭ জিলক্বদ, ১৪৪০


লবণবাহী কার্গোট্রলার ডুবি, ১৩ মাঝিমাল্লা নিখোঁজ

কক্সবাজার থেকে ছেড়ে যাওয়া লবণবাহী কার্গোট্রলার চট্টগ্রামের হাতিয়া চ্যানেলে ডুবে গেছে। এতে ১৩ মাঝিমাল্লা নিখোঁজ ও কোটি টাকারও বেশী ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। নিখোঁজ মাঝি-মাল্লারা সবাই হাতিয়া, চট্টগ্রামের বাসিন্দা।৫ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ১১ টায় মেঘনা নদীর মোহনা সংলগ্ন হাতিয়া চ্যানেলে এ নৌ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা কবলিত কার্গো ট্রলার এম ভি রাফসান (লাইসেন্স নং-১৯৪৮)’র ১৩ মাঝি মাল্লা এখনো নিখোঁজ রয়েছে। তবে বোটে অবস্থানরত কারখানার কর্মচারী হামিদ নামক একজনকে ভাসমান অবস্হায় উদ্ধার করেছে অপর একটি ফিশিং বোট। কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুর শিল্প এলাকায় অবস্হিত মক্কা সল্ট ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে পরিশোধিত লবন বেঝাই করে খুলনাস্থ সুপার এক্স লেদার ট্যানারীতে যাচ্ছিল কার্গোট্রলারটি।মক্কা সল্ট ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজ এর পরিচালক সেলিম উল্লাহ কাদেরী জানান, কয়েকদিন আগে মিল থেকে ৩,৬৫০ বস্তাভর্তি প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মন পরিশোধিত লবন উক্ত বোটে বোঝাই করা হয়। মিলের জেটিঘাট থেকে যাত্রা শুরুর পর পথিমধ্যে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার শিকার হলে চট্টগ্রামস্হ কর্ণফুলী নদীর মাঝির ঘাটে নোঙ্গর করে ও বৃহস্পতিবার আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পুনরায় খুলনার উদ্যেশ্যে ছেড়ে যায় ট্রলারটি।উদ্ধার হওয়া হামিদ জানান, শুক্রবার সকালে হাতিয়া চ্যানেলে পৌঁছলে ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় ও একপর্যায়ে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। সাগরে তখন প্রবল থাকায় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায় ট্রলারটি।এরপর অনেক সন্ধান করেও মাঝি-মাল্লা ও ট্রলারের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। এতে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার লবন ছিল। ডুবে যাওয়া ট্রলার ও লবনের আনুমানিক মূল্য কোটি টাকারও অধিক হবে বলে জানা গেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।