২২ জুলাই, ২০১৯ | ৭ শ্রাবণ, ১৪২৬ | ১৭ জিলক্বদ, ১৪৪০


চকরিয়া বেড়িবাধঁ পূণঃসংস্কারে অবহেলায় ১২শত পরিবার পানি বন্দি

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডস্হ এলাকা ঘেষে আসা মাতামুহুরী নদীর পশ্চিমপাড় অর্থ্যাৎ মজিদিয়া মাদ্রাসার রোর্ডের উত্তরে পাশে কোচপাড়া গ্রামের প্রায় ৩বছর পূর্বে ভাঙ্গা নদীর বেড়িবাধঁটি পূণঃসংস্কারের অভাবে চলিত বর্ষার পানি বন্দিতে ১২শত পরিবার র্দূভোগ জীবন যাপন করছে অভিযোগ। এ নিয়ে ১৩মে সকালে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও এলাকাবাসী মিলে পৌর মেয়রের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনার লক্ষে মানব বন্ধন করেছে। অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোঃনুরুল আবচার ছিদ্দিকী,আবদুল হামিদ, অরুণ ও ডাঃরাখাল বাবু গংরা বলেন,চকরিয়া পৌরসভার ৮ ও ৯ ওয়ার্ডে কোচপাড় গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া মাতামুহুরী নদীর পৌরসভার ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাধঁ পূণঃসংস্কার না হওয়া চলিত বর্ষার পানিতে, পানি বন্দি হয়ে পড়াছি। এভাবে এ র্বষায় আমাদেরকে ঘরবাড়ী ত্যাগ করে অন্যত্রে বসবাস করা ছাড়া জীবন যাপন র্দূবিসহ পড়বে।যে কারণে পানিতে ডুবে থাকা ঘরবাড়ী যেকোন সময় পানিতে বেসে র্দূঘটনা হওয়া সম্ভবনা বেশী।তাই  শহর রক্ষা বেড়িবাধঁ সংস্কার না হলে কোনভাবে এলাকায় বসবাস অযোগ্য।ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা,ক্ষতখামারসহ আয়ে উৎস বন্দ হয়ে পড়েছে।আসন্ন বর্ষার পানিতে বর্তমানে-কোচপাড়া,হিন্দুপাড়া,মজিদিয়া মাদ্রাসা পাড়া ও নিজপানখালী এলাকার ১২শত পরিবারের প্রায় তিন হাজার মানুষ প্লাবনের স্বীকা।এতে এলাকার স্কুল,মাদ্রাসা ও কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের যাতায়তের বিঘ্নতার কারণে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ছে।এছাড়া পুরো এলাকাতে চারটি মসজিদ,২টি মন্দির সহ ঘরবাড়ী পানিতে ডুবে হাহাকার হয়েছে।ফলে গরু,ছাগল,হাসঁ,মুরগী, বিভিন্ন ফসলাদি নষ্ট, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর সংকট।কারণ এই বাধঁটি সংস্কারের জন্য মেয়রের কাছে অনেক বার যাওয়ার পরও কোন ছাড়া মিলেনি। এবিষয়ে ৮নং ওয়ার্ড কমিশনার মজিবুল হক মুজিব বলেন,আমি নিজেই মেয়র মহোদয়কে এবিষয় অনেক বার নালিশ দিয়েছি।কাজ করতে বলে,তবে কোন বাজেট দিলনা।তাই আমি কি করব।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।