২০ জুলাই, ২০১৯ | ৫ শ্রাবণ, ১৪২৬ | ১৫ জিলক্বদ, ১৪৪০


চৌফলদন্ডী-পোকখালীতে মারাত্মক ঝুঁকিতে বেড়িবাঁধ

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী, পোকখালীতে ৮/৯ টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে কোন মূহুর্তে বির্স্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকায় উপকূলবর্তী হাজার হাজার মানুষ আতংকিত হয়ে পড়ছে। চিন্তিত হয়ে পড়েছে চিংড়ি ঘের মালিক ও মস্যৎজীবিরা। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত ৭/৮ দিন ভারি বর্ষন ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে চৌফলদন্ডীর নতুন মহাল,কালু ফকির পাড়া, ডেইল পাড়া, উত্তর পাড়া, খামার পাড়া, হায়দার পাড়া, পোকখালীর মালমুরা পাড়া, পশ্চিম পোকখালী,সিকদার পাড়া, গোমাতলী চর পাড়া, গাইট্রা খালীসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে জোয়ারের পানি চুঁয়ে চুঁয়ে ভিতরে প্রবেশ করছে। ফলে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকায় উদ্বেগ উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ। অপরদিকে ভারুয়াখালীতে কয়েকটি পয়েন্টে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন পরিষদের মেম্বার ফজলুল হক। ২/৩ বছর ধরে উপরোল্লিখিত স্থান গুলো পরিদর্শন কালে একাধিক জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা, রাজনীতিবীদ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন টেকসই মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মান করে জনগনের জানমাল রক্ষা করা হবে। কিন্তু পাউবোর কর্মকর্তাদের অবহেলায় সে প্রতিশ্রুতি অদ্যবধি বাস্তবায়ন হয়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। যে কারণে ঝঁড়বৃষ্টি আর জলোচ্ছ্বাস দেখা দিলে মূহুর্তের মধ্যে চৌফলদন্ডী, পোকখালী ও ভারুয়াখালী ইউনিয়নের জন সাধারন আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিবছর কোন না কোন স্থানে বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে পোকখালী চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের জনসাধারন ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। গনমাধ্যমে বার বার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও টনক নড়ছে না সংশ্লিষ্টদের। ইউনিয়ন সমূহের বাসিন্দাদের প্রশ্ন টেকসই মজবুত বাঁধ নির্মান করতে হলে কোথায় গেলে তার বাস্তবায়ন হবে। তারা বলছেন বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে আমরা উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়েছি। তারা অচিরেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে এসব বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানায়। এ ব্যাপারে চৌফলদন্ডী ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াজ করিম বাবুল জানান, গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষনের ফলে বর্তমানে ইউনিয়নে ৩/৪ পয়েন্টে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। ইতিপূর্বে কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পাউবো’র মাধ্যমে সংস্কার করা হয়েছে। মাটি নরম হওয়ায় সে স্থান গুলো একটু ঝুঁকি রয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কোন গ্রাম প্লাবিত হয়নি। ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ গুলোর ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড বরাবর আবেদন করা হবে বলে জানান চেয়ারম্যান বাবুল। অপরদিকে পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক আহমদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সংযোগ না পাওয়া বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন এ ইউনিয়নে ৫/৬ টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।