১৯ আগস্ট, ২০১৯ | ৪ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৭ জিলহজ্জ, ১৪৪০


ইংল্যান্ডের হাতে প্রথম বিশ্বকাপ

নিউজিল্যান্ড। তবে খাতা কলমে জিতে গেল ইংল্যান্ড। মুল ম্যাচ টাই হওয়ার পর সুপার ওভারে খেলা গড়ায়। সেই সুপার ওভারো টাই হয়। ক্রিকেটভক্তদের নাভিশ্বাস তোলা এমন ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয় পেলো ইংল্যান্ড।

আগে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ডের করা ২৪১ রানের জবাবে, নিজেদের ৫০ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহও দাঁড়ায় ঠিক ২৪১ রানই। ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাই হয় ফাইনাল ম্যাচ এবং শিরোপা নির্ধারণের জন্য ম্যাচ নেয়া হয় সুপার ওভারে।

যেখানে মুনসিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন কিউই অলরাউন্ডার জিমি নিশাম। বাঁহাতি কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে বাটলার ও স্টোকস মিলে করেছিলেন ১৫ রান। পরে ইংল্যান্ডের পক্ষে বল হাতে আসেন জোফরা আর্চার। সে ওভারের ৫ বলেই ১৩ রান করে ফেলেন নিশাম। শেষ বলে ১ রান নিতে সক্ষম হন গাপটিল।

ফলে টাই হয় সুপার ওভারও। কিন্তু মূল ম্যাচে বেশি বাউন্ডারি হাঁকানোয় প্রথমবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড। সে সঙ্গে নির্বাচিত হলো এবারের ক্রিকেটের নতুন রাজা।

১৯৭৫ বিশ্বকাপের প্রথম আসর থেকেই খেলছে ইংল্যান্ড। তিনবার ফাইনাল খেললেও অধরা ট্রফি জিততে পারেনি দলটি। সর্বশেষ ১৯৯২ সালের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরেছিল ইংল্যান্ড।

২০১৫ বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর নিজেদের নতুন করে সাজায় ইংলিশরা। এ বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ব্যাট-বলে দারুণ পারফর্ম করেছে তারা। যোগ্য দল হিসেবে উঠে যায় ফাইনালে। শেষ পর্যন্ত স্বপ্নের ট্রফি জয় করলো তারা।

উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে সুপার ওভারে নিউজিল্যান্ডকে – উইকেটে হারানোর মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।

শুরুতে বল হাতে দারুণ শুরু করে তারা। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২৪১ রানে বেঁধে ফেলে কিউইদের। পরে রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১০০ রানের আগেই ইংল্যান্ড হারায় ৪ উইকেট।

হারার শঙ্কায় থাকা ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন বাটলার ও স্টোকস। তাদের দুজনের শতরানের জুটিতে ম্যাচ আবারো আলোর মুখ দেখে। তবে বাটলার আউট হলে পরক্ষনে ম্যাচ কঠিন হয় তাদের।

স্টোকসের নৈপূণ্যে পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচ শেষ পর্যন্ত জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :