২১ অক্টোবর, ২০১৯ | ৫ কার্তিক, ১৪২৬ | ২১ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম

বিভিন্ন মাধ্যমকে ম্যানেজের চেষ্টা :

ইসলামপুরে শিক্ষকতার আড়ালে জমজমাট হুন্ডি ব্যবসা সংবাদে তোলপাড়

কক্সবাজার সদর উপজেলার ১নং ইসলামপুর ইউনিয়নে শিক্ষকতার আড়ালে জমজমাট হুন্ডি ব্যবসা করে যাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমন সংবাদ জেলা সদর থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্ররকাশি হওয়ার পর তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ২ অক্টোবর প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক পেপারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড থেকে গায়েব করেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পত্রিকার হকার জানান, সকাল ৭/৮ টার দিকে কক্সবাজার পত্রিকার বান্ডিল ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ডস্থ সৌদিয়া কাউন্টারের সামনে পৌছলে ভদ্র বেশী কয়েকজন লোক এসে কয়েকটি পেপারের বান্ডিল নিয়ে যায়।তাছাড়া সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে ম্যানেজের চেষ্টা চালায় মিজানুর রহমান নামের ঐ ব্যক্তি। উল্লেখ্য, উক্ত শিক্ষক বৃহত্তর ঈদগাঁওতে বিশাল হুন্ডি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ১১/১২ বছর ধরে রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা হুন্ডির টাকা লেনদেন করে আসলেও সংশ্লিষ্টদের নজরে আসেনি। ইউনিয়নের ধর্মের ছড়া এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান স্থানীয় একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছে। এই শিক্ষকতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সৌদি আরবে অবস্থানরত তার দুলা ভাই একই ইউনিয়নের হাজী পাড়া এলাকার নুরুল আমিনের মাধ্যমে দৈনিক কোটি টাকা লেনদেন করে থাকেন। তার হোয়াটসপ,ইমু আইডি চেক করলেই হিসাব মিলবে দৈনিক কত টাকার লেনদেন হয়।সূত্রে জানা যায়, উক্ত মিজানুর রহমান বৃহত্তর ঈদগাঁওর ছয় ইউনিয়নসহ বাজারসমূহে হুন্ডি ব্যবসা জমজমাট করে রেখেছে । তার দৌরাত্ম্য দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও এ যাবত মিজান ও তার সিন্ডিকেটের কোন হুন্ডি ব্যবসায়ীকেও আটক করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। যার কারণে তার ব্যবসা আরো জমজমাট হয়ে উঠছে। । অনুসন্ধানে জানা যায়, বৃহত্তর ঈদগাঁওর অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ অবস্থান করছে সৌদি আরব, মালেশিয়া, কাতার,লিবিয়া, দুবাই, ওমানসহ বিশ্বের প্রত্যন্ত দেশে । তাদের আত্মীয়-স্বজনরা দেশে অবস্থান করার ফলে প্রতিনিয়ত উল্লেখিত দেশ থেকে প্রবাসীদের পাঠানো বৈধ বিধিবিধান থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। স্থানীয় সচেতন লোকজন জানান, মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে হুন্ডি ব্যবসার সাথে ঈদগাঁও, জালালাবাদ, ইসলামাবাদ, চৌফলদন্ডী, পোকখালী, ইসলামপুর এলাকার অর্ধ শতাধিক হুন্ডি ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে হুন্ডির টাকা বিতরণ করে আসছে। এমনকি তার সিন্ডিকেটের কয়েকজন চিহ্নিত হুন্ডি ব্যবসায়ী বাজার ও বাসস্ট্যান্ডস্থ ঈদগড় সড়কের কয়েকজন তার নিজস্ব লোক নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে হুন্ডি ব্যবসা পরিচালনা এবং বৈদেশিক মুদ্রা হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন, মানি লন্ডারিং আইন অমান্য করে মিজানুর রহমানের কোটি কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করলেও সংশ্লিষ্টদের কোন নজর নেই। এখানে হুন্ডি ব্যবসায় প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তারা। ফলে সরকার হারাচ্ছে প্রচুর পরিমান রাজস্ব। হুন্ডি ব্যবসার বিষয়ে জানতে মিজানুর রহমানের ব্যবহৃত ০১৮১৮৯৬৭৬৮০,০১৮৬০২৯১২৪০ নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সংযোগ না পাওয়া বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পাওয়া গেলে গুরুত্ব সহকারে ছাপানো হবে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত মিজানুর রহমান হুন্ডি ব্যবসায়ী তা জানা ছিল না। তার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :