২৩ আগস্ট, ২০১৯ | ৮ ভাদ্র, ১৪২৬ | ২১ জিলহজ্জ, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগ:

ইসলামপুরে ৪০ বছরের চলাচলের পথ বন্ধ করে দিল প্রতিপক্ষরা

কক্সবাজার সদর উপজেলার ১নং ইসলামপুর ইউনিয়নে চল্লিশ বছরের পুরনো চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে ৩০ পরিবারের সদস্য ও অর্ধ শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। স্থানীয় গ্রাম আদালতে অভিযোগ করেও কোন সুরহা না হওয়ায় ১০/১২ ফুট নিচু পানি চলাচলের ছরা দিয়ে পার হতে হচ্ছে সেখানকার দুই শতাধিক লোকজনকে। যার কারনে ছরায় অতিরিক্ত পানি নেমে আসলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া সম্ভব হয় না শিক্ষার্থীদের। সরেজমিনে ইসলামপুর ইউনিয়নের নতুন অফিস পূর্ব পাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রশিদ আহমদ, মিন্টু, মনজুর আলম, শামসুনাহার, নুরুল আলম, বুলুসহ প্রায় ৩০ টি পরিবার ৪০ বছর আগে থেকে সেখানে স্থায়ী ভাবে বসাবাস করে আসছে। তাদের একমাত্র চলাচলের পথ হিসেবে প্রায় ৪০ বছর ধরে ফুলছড়ি জুম নগর ছরার বেড়িবাঁধটি ব্যবহার করে আসছিল।

ইত্যবসরে একই এলাকার খুইল্যা মিয়ার ছেলে ভেটকা, মমতাজ আহমদের ছেলে লুতু ও মনজুর আলম নামের তিন ব্যক্তি ছরা সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পথের জায়গা নিজেদের দাবী করে টেংরা দিয়ে প্রায় ২শ ফুট মত লম্বা জায়গা ঘেরাও করে ভিতরে কয়েকটি টিনের বাসা করে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছে। ভুক্তভুগী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, চলাচল করতে তাদের প্রচুর কষ্ট হচ্ছে, অসুস্থ রোগী নিয়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। তাছাড়া নিত্যদিনের চলাচল করা দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। চলিত বর্ষায় এই পথ খুলে না দিলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর লেখা পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে ঘটনাটি দ্রুত মিমাংসা করার জন্য অনুরোধ করেন। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আবদু শুক্কুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছোটকাল থেকে ঐ পথ দিয়ে মানুষ চলাচল করতে দেখেছি। হঠাৎ কেন কি কারণে পথ বন্ধ করে দিল তা জানিনা।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে স্থানীয় চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ দায়ের করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তারা অভিযোগও করছে, উভয় পক্ষের লোকজনকে পরিষদে ডাকা হয়েছিল। সরেজমিনে গিয়ে পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেওয়ার কথা ছিল৷ চেয়ারম্যান আবুল কালাম হজ্ব পালন করতে সৌদি আরব অবস্থান করায় ঘটনাস্থলে আর যাওয়া হয়নি। অভিযুক্তদের সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তবে তাদের কয়েকজন ঘনিষ্ট ব্যক্তি জানান, চলাচলের রাস্তাটার জমি গুলোর তাদের।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :