১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৩ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৭ মুহাররম, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম

ইসলামপুর খাঁনঘোনা সড়ক নই যেন মরন ফাদঁ!

কক্সাবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুর উত্তর খাঁনঘোনা সড়কটি চরম দুর্ভোগ নিয়ে যাতায়তে কষ্ট পাচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসী। যার কারনে সময়মত পৌঁছতে পারছেনা শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্টানে। গত ২ বছরে এই সড়কে সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত। তাতে দুর্ঘটনা যেমন বেড়েছে তেমনি ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে স্থানীয়রা। ইসলামপুর জাপানি সড়কের মোড় হতে খাঁনঘোনা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত মাত্র অর্ধ কিলোমিটার সড়কের ত্রাহি অবস্থা। সড়ক দিয়ে ভারী গাড়ি চলাচল ও চিংড়ি ঘেরের পানি উপচে পড়ায় সড়কে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ভাঙ্গা-গর্ত। ফলে নিয়মিতই ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়কের বেহাল দশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহনও। গত দুই বছরে এই সড়কের উন্নয়নে দেখা মেলেনি কারো। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও কোন পরিবর্তন হচ্ছে না বলে দাবি করেন স্থানীয় পথচারীরা। স্থানীয়দের প্রশ্ন,এই সড়ক সংস্কারের কাজ আদৌ হবে কি-না। কখন এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে সাধারন জনগন! খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ইসলামপুর ইউনিয়নের উত্তর খানঘোনার বাসিন্দারা পোকখালী ইউনিয়ন হতে ইসালামপুর বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই চরম অবহেলিত। খাঁনঘোনাকে ঘিরেই রয়েছে লবণ ও মৎস্য শিল্প। ইতিমধ্যে যোগ হয়েছে অপরূপ সৌন্দর্য্য ও স্থানীয় পর্যটকদের প্রানকেন্দ্র খাঁনবিচ। সাপ্তাহিক বন্ধের দিন খাঁন বিচে বসে ভ্রমণ পিপাসুদের মিলন মেলা। ইসলামপুর ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দীন ক্ষোভের সাথে জানিয়েছেন, রাস্তার কারনে মরতে হচ্ছে প্রসুতিদের। রাস্তার কারনে ঘরে আগুন ধরলে আসেনা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি। তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, এলাকার চেয়ারম্যান-মেম্বাররা নির্বাচনে বার বার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ভোটের পরে কেহ কথা রাখেনা। তিনি সড়কটির দ্রুত সংস্কার করার জন্য কক্সবাজার সদর- রামু আসনের এমপি আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল ও সদর উপজেলা পরিষদ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :