১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৬ মুহাররম, ১৪৪১


রমজান মাসে বাজার মনিটরিংয়ের দাবী:

ঈদগাঁও-ঈদগড়ের কাঁচাবাজারে জিনিসপত্রের দ্বিগুন দাম

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও:পবিত্র রমজান মাস যতই এগিয়ে আসছে,ততই যেন মাছ,মাংস ও সবজির দাম নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দ্বিগুন দাম হাকাচ্ছেন। ঈদগাঁও ও ঈদগড় বাজারের ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছে মতো দাম হাঁকাচ্ছেন। বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা বুঝে যে যার মতো করে বিভিন্ন সবজির দাম চাইছেন। ১৯ এপ্রিল ঈদগাঁও বাজার ঘুরে বিভিন্ন জিনিসের দামের এ তারতম্য দেখা গেছে। এরই মধ্যে বাজারে বেড়ে গেছে  শাক-সবজি ও মাছ-মাংসের দাম। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে ডিমের দাম। বাজারে প্রতি কেজি দেশি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। বেশ কজন ক্রেতাদের মতে,প্রতি বছর রমজান মাস আসলে অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি চক্র অতি মুনাফার লোভে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। রোজা শুরু হওয়ার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই তারা এবার সব জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজিতে বাজার ভরে উঠলে ও দাম না কমে বরং প্রতিদিনই বাড়ছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে,কম দামি যে সবজি, সেই ঢেড়শ প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা। শিম ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে প্রতি কেজি বরবটি ৪০,কচুর লতি ৪০-৫০,তিতকরলা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা সবজি বিক্রেতাদের মতে,পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় তাদের বেশি টাকায় কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে, পাইকারি বিক্রেতাদের দাবি,গেল শিলাবৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় খেতের সবজি নষ্ট হওয়ায় সরবরাহ কম। তাই দাম কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা,লাল লেয়ার মুরগি ২৪০/২৫০ টাকা কেজিতে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫শত টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।বিভিন্ন ধরনের মাছও বেশ চড়া দামে বিকিকিনি  হচ্ছে। বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। বাজার মনিটরিং করার বিষয়ে দেখভাল করার যেন কেউ নেই। বাজারে তদা রকির অভাবেই ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো কার সাজি করে ফায়দা লুটে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। রমজান মাসে বাজার মনিটরিংয়ের দাবী জানান সাধারন ক্রেতারা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :

error: Content is protected !!