২১ অক্টোবর, ২০১৯ | ৫ কার্তিক, ১৪২৬ | ২১ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম

ঈদগাঁহ থেকে ১৪ দিন পর অপহৃত ফারুককে উদ্ধার

অবশেষে অপহৃত মোহাম্মদ ফারুক (৪৭) কে অপহরণের ১৪দিন পর কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁহ কালিরছড়া বাজারের দক্ষিণে মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় স্থানীয় জনগন গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে উদ্ধার করেছে। অপহরণকারীরা তাকে ছেড়ে দেয়ার আগে ৩টি অলিখিত ষ্টাম্পে টিপ নিয়ে ওই স্থানে ফেলে পালিয়ে যায়। সন্দেহ করা হচ্ছে জায়গা জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধ থাকায় অপহরণকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তাকে হুমকি দেয়া হয়েছে ভবিষ্যতে ফাইতং এলাকায় যেন আর না যায়। স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অপহৃত ফারুকের মা নুরুন্নাহার অভিযোগ করে বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর রাত ৮ টার দিকে লামা উপজেলার ফাইতং ষ্টেশন থেকে ২ অপহরণকারী মোটর সাইকেল করে মো: ফারুককে অপহরণ করে নিয়ে চকরিয়া উপজেলার বানিয়ার ছড়া বাস ষ্টেশনে এসে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা একটি হাইস মাইক্রোবাসে তুলে মুখ বেঁধে রেখে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে তিনি বাদী হয়ে লামা থানায় নিখোঁজ পুত্রের সন্ধানে একটি সাধারণ ডায়েরি নং ৫১৩/১৯ রুজু করেন। ফারুক জানান, অপহরণকারীরা তাকে অপহরণের রাত থেকে একটি পাকা দালান ঘরের রুমে এনে তার হাত পা খুলে দেয়। ফারুক জানে না ওই জায়গাটি কোথায় অবস্থিত। ওই ঘরে টানা ১২দিন ধরে আটকে রাখা হয়। মাঝে মধ্যে কিছু খাবার ও পানি এনে দিত মুখোশ পরিহিত লোক। এদিকে ফারুক কালিরছড়া থেকে উদ্ধার হওয়ার পর কক্সবাজার সদর থানার নিয়ন্ত্রানাধীন ঈদগাঁহ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রথমে লামা থানায় এ ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মোবাইল ফোনে আলাপ করলে থানা পুলিশ এ ব্যাপারে লামা থানায় একটি জিডি লিপিবদ্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করেন। পরে ঈদগাঁহ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আসাদুজ্জামান অপহৃত ফারুকের গ্রামের স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের সাথে যোগাযোগ করলে তারা কোন সহযোগিতা করেনি বলে ফারুকের পরিবার থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে। অপহৃত ফারুককে স্থানীয় লোকজন চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে ওইদিন গভীর রাতে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :