২২ অক্টোবর, ২০১৯ | ৬ কার্তিক, ১৪২৬ | ২২ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  রোহিঙ্গা যুবককে ছেলে সাজিয়ে ভোটার করার চেষ্টা, ২ জনের সাজা   ●  ঢাকায় বিমান থেকে নেমে চকরিয়ার ২ তামাক ব্যবসায়ী নিখোঁজ   ●  আবারও প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো   ●  একনেকে ৪,৬৩৬ কোটি টাকার ৫টি প্রকল্প অনুমোদন   ●  ঈদগাঁওতে ৭ বছরের ভাতিজিকে ধর্ষনঃ ধর্ষক চাচা আটক   ●  মাদক মামলায় এসআই’র ৫ বছরের কারাদণ্ড   ●  ঈদগাহকে থানা হিসেবে অনুমোদন   ●  কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপে শিল্প-কারখানা স্থাপন নয় : প্রধানমন্ত্রী   ●  কক্সবাজার জেলা কমিউনিটি পুলিশ : সাংবাদিক তোফায়েল সভাপতি, যুবলীগের বাহাদুর সেক্রেটারি   ●  গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক অনুভূতিতে আঘাত হানা থেকে বিরত থাকুন : ডিসি কামাল হোসেন

উপকূল রক্ষায় ১৫৭ কোটি টাকা

বিবিএন ডেস্ক:

সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ‘কক্সবাজার জেলার ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডারসমূহের পুনর্বাসন’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ পুনঃনির্মাণ ও পুনরাকৃতিকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। আর এজন্য ব্যয় হবে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকাকে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস এবং উচ্চ জোয়ারের কবল থেকে রক্ষার জন্য ১৯৬১-১৯৬৬ পর্যন্ত সময়ে উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলায় ২১টি পোল্ডারের অধীনে ৫৯৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়।

১৯৯১ সালের ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ের পর ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডারগুলো শুধু একবার মেরামত/ পুনর্নির্মাণ করা হয়। পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও অবকাঠামোগুলোর উল্লেখযোগ্য কোনো পুনর্বাসন কাজ হাতে না নেওয়ায় সমুদ্রের উচ্চ জোয়ার এবং বৃষ্টির কারণে বাঁধগুলো মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়ে যায়।

এসব ঝুঁকিপূর্ণ পোল্ডারগুলোর মেরামত/পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৫ জুন ‘কক্সবাজার জেলার ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডারসমূহের পুনর্বাসন’ শীর্ষক প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় সাতটি পোল্ডারের পুনর্বাসনের  কাজ বাস্তবায়নের সংস্থান রয়েছে। এর মধ্যে মহেশখালী উপজেলার ধলঘাট ও মাতারবাড়ি নিয়ে গঠিত  পোল্ডার নং-৭০ এবং দ্বীপাঞ্চল কুতুবদিয়া উপজেলার পোল্ডার নং-৭১ বেশ দুর্গম এলাকা।

এ দুটি পোল্ডারের আওতায় ১৩ দশমিক ৫০৮ কিলোমিটার অংশে বাঁধ পুনর্নির্মাণ/পুনরাকৃতিকরণ এবং ৬ দশমিক ১৪৬ কিলোমিটার অংশে প্রতিরক্ষামূলক কাজসহ বাঁধ পুনর্নির্মাণ/পুনরাকৃতিকরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান (ওটিএম) পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের উল্লেখ ছিল।

সূত্র জানায়, প্রকল্প দুটি বাংলাদেশের উপকূলীয়বর্তী এবং ঝুঁকিপূর্ণ দ্বীপাঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় দ্রুততম সময়ে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত জনদুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে একক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সম্পাদনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।

বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়াকর্স লিমিটেডের মাধ্যমে ডিপিএম পদ্ধতিতে সম্পাদনের জন্য অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের জন্য দাখিল করা হলে কমিটির গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটির অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১০টি প্যাকেজের কাজকে একটি প্যাকেজে রূপান্তর করা হয় এবং অনুমোদিত নকশা ও অনুমোদিত হালনাগাদ শিডিউল অব রেটস অনুযায়ী এর প্রাক্কলিত মূল্য দাঁড়ায় ১৫৬ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

সূত্র জানায়, সিসিইএ অনুমোদনের প্রেক্ষিতে ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড কাজগুলো সরাসরি ক্রয় (ডিপিএম) পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সংস্থাটি কর্তৃক দাখিলকৃত দরপত্রের উদ্বৃত মোট দর ১৭২ কোটি ৬৯ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

উদ্বৃত এ মূল্য প্রাক্কলিত মূল্য অপেক্ষা ১৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা অর্থাৎ প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ১০ শতাংশ ঊর্ধ্বদর। পরবর্তী সময়ে দরপত্র নেগোসিয়েশন  কমিটি উদ্বৃত দর নির্ধারণ করে বিল অব কোয়ালিটি পুনরায় দাখিল করার অনুরোধ করে।  কমিটির অনুরোধে সংস্থাটির ১৫৬ কোটি ৯৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকার ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :