১৪ অক্টোবর, ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৪ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত   ●  নাইক্ষ্যংছড়ির তিন ইউপির ভোট আজ : বহিরাগত ঠেকাতে বারটি তল্লাশিচৌকি   ●  কক্সবাজারে শতাধিক বৌদ্ধ বিহারে প্রবারণা উৎসব শুরু   ●  আলীকদমে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১৩   ●  মহেশখালীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত   ●  আঘাত হেনেছে প্রলয়ঙ্করী টাইফুন, নিহত ১১   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ করবে সেনাবাহিনী- কক্সবাজারের সেনাপ্রধান   ●  যুবলীগের প্রত্যেককে ভালো মানুষ ও ভালো নেতা-কর্মী হতে হবে : সোহেল আহমদ বাহাদুর   ●  রোহিঙ্গাদের যারা ভোটার করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে : অতিরিক্ত সচিব   ●  যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দুক হামলা, নিহত ৪

কেড়ে নেওয়া ভিটেমাটি ও নিরাপত্তা দিলে নিজ দেশে ফিরে যাবে জানিয়েছেন তুমব্রু সীমান্তে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা

কেড়ে নেওয়া ভিটেমাটি ও নিরাপত্তা দিলে নিজ দেশ  মিয়ানমারে ফিরে যাবেন বলে চীনের প্রতিনিধিদলকে জানিয়েছেন তুমব্রু সীমান্তে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের কাছে এসব দাবি জানান তারা। কী করলে মিয়ানমারে ফিরে যাবেন, লি জিমিং-এর এমন প্রশ্নের জবাবে রোহিঙ্গারা দুটি দাবি মেনে নিলে ফিরে যাওয়ার কথা জানান।তুমব্রু সীমান্তে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে চীনের রাষ্ট্রদূত ঘুমধুম সীমান্তের ট্রানজিট ঘাট ও মিয়ানমার-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত) শামসুদ্দৌজা নয়নসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত) শামসুদ্দৌজা নয়ন বলেন, তিনদিনের সফরে কক্সবাজার এসেছেন চীনের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। তুমব্রু সীমান্তের রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট পরিদর্শন করেছেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।রোববার সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছায় চীনের চীনের প্রতিনিধি দল।সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাবে প্রতিনিধিদলটি। সেখানেও শরণার্থী রোহিঙ্গাদের মতামত নেবেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। পরিদর্শন শেষে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। গত ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিল চীন। চীনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার। কিন্তু রোহিঙ্গারা রাজি না হওয়ায় সেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়।২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন অভিযান শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।এর আগে থেকেই বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭ জন। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :