১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৪ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৯ মুহাররম, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর উপকূলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ   ●  রোহিঙ্গাদের পাসপোর্টে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   ●  জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ নিহত ৩   ●  টেকনাফে জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির অভিযোগে উদ্যোক্তা সহ আটক ২   ●  পেকুয়ায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার   ●  চকরিয়ায় বন্ধুর ছোটবোনকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার   ●  ৩৬ ঘন্টায় বিশ্বজুড়ে ছড়াতে পারে ফ্লু, মারা যেতে পারে ৮ কোটি মানুষ   ●  ঈদগাঁওতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের শত কোটি টাকার জমি দখল করে স্থাপনা   ●  টেকনাফে ২১০ টি মিয়ানমারের সীমকার্ড সহ ৩ রোহিঙ্গা আটক

খুটাখালী আ’লীগের লড়াকু মুজিব সৈনিক জিল্লুর রহমান

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন শাখার সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এখনও পর্যন্ত একাধিক প্রার্থী দৌঁড়ের মধ্যে আছেন। তবে তাদের মধ্যে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে তৃণমূল থেকে উঠে আসা ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হলেন ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান। জিল্লুর রহমান উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড পাগলীরবিল গ্রামের বাসিন্দা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি ১নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি, ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্যসহ বিভিন্ন সংগঠনের গুরু দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের এমপি আলহাজ্ব জাফর আলমের আস্থাভাজন। এছাড়া তিনি চট্রগ্রাম মহানগর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম কার্যকরি পরিষদের সদস্য, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদ চট্রগ্রাম চান্দগাঁও থানা শাখার সভাপতির গুরু দায়িত্বরত। তার পিতা মরহুম আহমদ ছোবহান বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসারী ও আওয়ামীলীগের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। তার বড় ভাই আতিকুর রহমান প্রবাসী আ’লীগ নেতা, মেজ ভাই মুজিবুর রহমান খুটাখালী ইউনিয়ন আ’লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক, তার সেজ ভাই মিজানুর রহমান কৃষকলীগ ওয়ার্ড সভাপতি, ফজলুর রহমান মান্নান ১নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি। মুলতঃ জিল্লুর রহমান ২০০০ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। সেই সমকার তিনি ডুলাহাজারা স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ২০০৪ সালে তিনি ঢাকা আরকে চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। স্কুল জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। আওয়ামী লীগ মতাদর্শের পরিবারে জন্ম নেয়ায় শৈশবকাল থেকে রাজনীতি শুরু করেন। স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবিরের শত চক্রান্তের পরও পরাস্ত হননি জিল্লুর রহমান। আজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করে যাবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জিল্লুর রহমান বলেন, ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সম্পাদক প্রার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ অনুসারী তৃণমূল থেকে উঠা আসা প্রার্থী আমি। যদি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই তাহলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করব। কারণ ছোটবেলা থেকেই আমি আ’লীগের রাজনীতি পছন্দ করি এবং তার সাথে জড়িত। আমার পরিবারের সবাই তৃণমূল থেকে আওয়ামীলীগ রাজনীতি করে এসেছেন। বিএনপি-জামায়াতের তাণ্ডব, যুদ্ধাপরাধীধের বিচার ইস্যুতে রাজপথে সামনের সারিতে থেকে একসাথে আন্দোলনে ছিলাম। ভবিষ্যতেও থাকবো। যার কারনে সবার প্রিয়মুখ সাহসী তরুণ নেতা জিল্লুর রহমানকে ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই তৃণমুল নেতাকর্মীরা। এক প্রশ্নের জবাবে জিল্লুর রহমান বলেন, আমি নেতা নই, আমি আ’লীগ নামক বিশাল বটবৃক্ষকের একজন ক্ষুদ্র লড়াকু মুজিব সৈনিক। যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতন মমতাময়ী একজন সফল মা আছেন, যার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশকে এগিয়ে নেবার মাঝে আমি একজন কর্মি। একান্ত আলাপচারিতায় তরুণ রাজনীতিক মোঃ জিল্লুর রহমান আরো বলেন, আমি আওয়ামীলীগের একজন পরিক্ষীত সৈনিক। আমার রাজনৈতিক জীবনে কোন চাওয়া পাওয়া ছিল না। ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি থেকে শুরু করে বর্তমানে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগেও দায়িত্ব পালন করে আসছি। অর্থ বিত্ত কিংবা কোন ক্ষমতার লোভে নয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করেই এ দলে সম্পৃক্ত হয়েছি। অনেকেই বসন্তের কোকিল হয়ে আওয়ামী পরিবারে ভীড় জমিয়ে অনেক অর্থ বিত্তের মালিক হয়েছে। রাজনিতির ১৯ বছরে নিজের বাপের সম্পদ খুইয়ে দলকে এবং দলের নেতা কর্মীদেরকে বুকে আগলে রেখেছি। দলকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ভাবে কোন রাজনৈতিক সুবিধা চাইনি। সারা জীবন দল এবং মানুষের জন্য রাজনীতি করতে এসেছি। দল ও খুটাখালীবাসীর কাছে ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :