২১ অক্টোবর, ২০১৯ | ৫ কার্তিক, ১৪২৬ | ২১ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম

খোলা চিঠি

দেশরত্ন শেখ হাসিনা এম’পি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
সম্মানিত সভাপতি
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।
______________________

বিষয়ঃ চলমান ক্যাসিনো, চাঁদাবাজ,টেন্ডাবাজ, দুর্নীতি ও অবৈধ ভাবে কালো টাকা আয় কারিদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান কে ধন্যবাদ ও স্বাগত জানিয়ে।

এবং পরিবারতন্ত্র ও ব্যক্তির রাজনীতি নিষিদ্ধ,বিভিন্ন কারনে দলের সিনিয়র নেতাদের প্রতিহিংসার শিকার হওয়া তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঠিক জায়গায় মূল্যায়িত করার প্রসঙ্গে।
_____________________________________________

#সবর্জন শ্রদ্ধীয় প্রাণপ্রিয় নেত্রী..
_________________________
আমি নাফিস ইকবাল, আহ্বায়ক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ১২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ উত্তর, কক্সবাজার পৌর শাখার দায়িত্ব পালন করছি।
আমার সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক পথচলায় জীবনে অনেক ব্যাপারে প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি, রাজপথে অান্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে, রাজনীতি কারো ব্যক্তিগত বা পরিবারতন্ত্র না, বতর্মান লক্ষ করলে দেখা যায়, পিতা মুজিবের আর্দশে রাজনীতি করলে ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার
কর্মী হিসেবে রাজনীতি করতে চাইলে, সেটা অনেক সময় বিভিন্ন জেলা, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন এমন কি ওয়ার্ড পযার্য়ের সিনিয়র নেতাদের কাছে প্রতিহিংসার শিকার হতে হচ্ছে। তখন রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে অনেক ত্যাগী ও দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। তখন আর সঠিক জায়গায় থেকে নেতৃত্ব দিতে পারে না যোগ্য নেতৃত্ব।
তাছাড়া অনেক সময় বিএনপি জামাত কে সাথে নিয়ে
আওয়ামীলীগের অনেক নেতারা কালো টাকার বিনিময়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদপদবি দিয়ে তাদের কে লাটি হিসেবে ব্যবহার করছে, এবং দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।
যারা আওয়ামীলীগের দূর্দিনে পাশে ছিলো, ত্যাগ ও পরিশ্রম করেছে, জেল জুলুম অপেক্ষা করে মামলা হামলার শিকার হয়েছে তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি, বরং সুবিধাবাদী কিছু আওয়ামীলীগের নেতাদের প্রতিহিংসার জালে পড়ে।

#প্রিয় নেত্রী,মমতাময়ী জননী…
বতর্মান আপনার সাহসি পদেক্ষের কারনে, যারা দলের ভিতরে থেকে দলের নাম বিক্রি করে নামে বেনামে হাজার কোটি টাকা আয় করেছে, ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি , দুর্নীতি সহ বিভিন্ন ভাবে অবৈধ টাকা কামিয়ে, রাতারাত্রি আঙুল পুলে কলাগাছ হয়ে
দেশবিদেশে সম্পত্তির পাহাড় তৈরি করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করছেন এবং তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত কে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। প্রিয় নেত্রী আপনার মতো সবার দেশের জন্য মায়া থাকতো, দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করতো,
দলের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকতো, তাহলে বাংলাদেশ আরো আগে জাতি পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মান হতো। আর বাংলাদেশ হতো উন্নত বিশ্বের কাতারে।
বতর্মান যে অভিযান পরিচালনা হচ্ছে, সেই অভিযান চলমান থাকলে আর কোন মুকুট বিহিন সম্রাট আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের ভিতরে থেকে এই ধরনের কর্মকান্ড করার সাহস করবে না, আমি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থায় নিয়োজিত সকল
কমকর্তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বতর্মান আওয়ামীলীগ সরকার ও বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আপনাদের সুন্দর অভিযান কে।

#জননেত্রী শেখ হাসিনা আপনার সাংগঠনিক সঠিক সিদ্ধান্তে কারনে অনেক ত্যাগী ও নিবেদিত নেতাকর্মীরা আশার স্বপ্ন বুনে।কারন আপনি বঙ্গবন্ধু সুযোগ্য কন্যা,
আপনি ১৬ কোটি মানুষের আশার বাতিঘর,
আপনি মানবতার ফেরিওয়ালা, আপনি সমগ্র বিশ্বের বিশ্বরত্ন, আপনি তৃনমূল কর্মীদের একমাত্র অভিভাবক
আপনি মূল্যায়িত করার অপেক্ষায় লক্ষ লক্ষ ত্যাগী ও দুর্দিনের নেতাকর্মী অপেক্ষার প্রহর গুনে।

মমতাময়ী নেত্রী আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলন ২০১৯ করার ঘোষনা দিয়েছেন, জাতীয় সম্মেলনের আগে সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত করেছেন, তার আগে জেলা, পৌরসভা,উপজেলা, ইউনিয়ন, এমন কি ওয়ার্ড পযার্য়ের সম্মেলন করার নিদের্শনা আপনি দিয়েছেন,এটা দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বহন করে। আপনি সবকিছু জানেন, সবকিছু দেখেন, তারপর ও প্রিয় নেত্রী আপনাকে অনেক কষ্ট নিয়ে বলতে হচ্ছে, যারা পাই তারা মন ভরে পাই, আর যারা কিছু পাইনি, তারা না পেয়ে দিন কাটায়, আওয়ামীলীগ সরকার টানা ৩য় বার ক্ষমতায়, সেই থেকে দেখে আসছি
লুটপাট, দখলবাজী,চাঁদাবাজি ও অবৈধ টাকার পাহাড়
অনেক নেতা,তারা দলের জন্য একটা পয়সা ও খরচ করে না,দলের অসহায় নেতাকর্মীদের খবর রাখে না,যারা রাতদিন এক করে দলের জন্য জীবন দিতে ও রাজি তাদের খোঁজ নেয় না,মূল্যায়ন করে না।বরং দলে আত্মীয় স্বজন কে পদপদবি দিয়ে ব্যক্তির রাজনীতি শুরু করছে।
তাদের ক্ষমতার শেষ নাই,যেটা পাই সেটা নিয়ে সন্তুুর্ষ্ট হয় না।
তাদের প্রতিহিংসার শিকার দলের জন্য যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতাকর্মীরা,তাদের জনপ্রিয়তা নাই
বলে দায়িত্ব থাকা পদপদবি
ছাড়তে চাই না,তৈরি হতে দেন না যোগ্য নেতৃত্ব,
অনেকে মুখ ফিয়ে নিচ্ছে রাজনীতি থেকে।
আপনার কাছে আমার মতো লক্ষ লক্ষ তৃণমূল কর্মীরা আশাবাদী যে আপনি সঠিক চিন্তা ধারায়, বিচক্ষণতা এবং নজরদারি মাধ্যমে জেলা থেকে ওয়ার্ড পযার্য়ের প্রকৃত মুজিব আর্দশের লালন কারী, এবং ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন সৎ ও ক্লিন ইমেজের যোগ্য সংগঠন কে মূল্যায়িত করবেন।
তাহলে দলে আর কোন মুকুট বিহিন সম্রাটের জন্ম হবে না দলের ভিতরে হতাশা কেটে যাবে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের, আরো বেশি সুসংগঠিত হবে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন। আপনি যে ভাবে বাংলাদেশ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, যে ভাবে গ্রাম কে শহরে রুপান্তর করছেন, এটি আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।
সবক্ষেত্রে আপনার ভূমিকা অতুলনীয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। আপনি বেঁচে থাকেন হাজার বছর, বাংলা প্রতিটি মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে। ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রইল।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :