২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ | ২৩ মুহাররম, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারের চেহারা পাল্টে যাবে: ওবায়দুল কাদের   ●  জাতিসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী   ●  পাকিস্তানে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহত ২৬   ●  সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের মাধ্যমে কংক্রিটের ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে   ●  ঈদগাঁওতে টমটম চালককে হত্যাঃ প্রতিবাদে শ্রমিকলীগের মানববন্ধন   ●  ঈদগাঁওতে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত যুবকের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তরঃ পৃথক দুই মামলা   ●  রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে সরকারের পাশে থাকুন   ●  উখিয়া মাদক কারবারির বাড়ির মাল ক্রোক   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত   ●  ঈদগাঁওতে টমটম চালককে গুলি করে হত্যাঃ অস্ত্রসহ সাবেক সেনা কর্মকর্তার পুত্র ঘাতক আটক 

চকরিয়া শপিং সেন্টারে আবর্জনার স্তুপ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে সরকার। আবর্জনা অপসারণ পাশাপাশি পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনাও রয়েছে। চকরিয়া পৌরসভা মার্কেটে আবর্জনা অপসারণ না করায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের।
রবিবার সকাল থেকে চকরিয়া পৌরসভার আমেনা শপিং সেন্টারের সম্মুখে দৃশ্যমান রয়েছে বিশাল এক আবর্জনার স্তুপ। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় ময়লাগুলো স্তুপ করে রাখে পৌরসভার পরিস্কার কাজে নিয়োজিতরা। এমনটাই দাবি করেন মার্কেটের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। আবদুল হামিদ নামের এক ব্যবসায়ী আবর্জনার স্তুপের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে সাধারণ জনগণের কাছে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এরই সাথে তিনি পোষ্টে লিখেন ‘চকরিয়া পৌরসভা আমেনা শপিং সেন্টার, পৌরসভা স্টাফকে টাকা না দেওয়ায় ময়লার ডিপো করে রেখেছে’।
ব্যবসায়ী হামিদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রবিবার সকাল থেকে আমেনা শপিং সেন্টারের সামনে বিশাল এক আবর্জনার স্তুপ দেখতে পাই। এর কারণ পাওয়া গেছে আবর্জনা অপসারণ বাবদ পৌরসভা শ্রমিকের টাকা দাবি। টাকা না দেওয়ায় এমনি পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। মার্কেটের পরিষ্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের কাছ থেকে এমনই তথ্যের কথা জানান আবদুল হামিদ।
চিরিঙ্গা বাজারে আগত ক্রেতা মোহাম্মদ আলী জানান, কাঁচা বাজারে সার্বক্ষণিক রিক্সা টমটমে জটপাকানো থাকে। তার উপর রয়েছে দুর্গন্ধ ও আবর্জনাও। আমেনা শপিং সেন্টারের সামনের এ আবর্জনার স্তুপে মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এমনই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ চায় পৌর শহরে আগত ক্রেতাসাধারণ। এ ব্যপারে জানতে চকরিয়া পৌরসভা মেয়র আলমগীর চৌধুরীর মুঠোফোনে রবিবার সন্ধ্যা ৭টা চুয়ান্ন মিনিটে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :