২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ | ২৩ মুহাররম, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারের চেহারা পাল্টে যাবে: ওবায়দুল কাদের   ●  জাতিসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী   ●  পাকিস্তানে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহত ২৬   ●  সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের মাধ্যমে কংক্রিটের ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে   ●  ঈদগাঁওতে টমটম চালককে হত্যাঃ প্রতিবাদে শ্রমিকলীগের মানববন্ধন   ●  ঈদগাঁওতে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত যুবকের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তরঃ পৃথক দুই মামলা   ●  রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে সরকারের পাশে থাকুন   ●  উখিয়া মাদক কারবারির বাড়ির মাল ক্রোক   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত   ●  ঈদগাঁওতে টমটম চালককে গুলি করে হত্যাঃ অস্ত্রসহ সাবেক সেনা কর্মকর্তার পুত্র ঘাতক আটক 

চট্টগ্রামে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্য গ্রেফতার

চট্টগ্রামে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার ভোর পর্যন্ত নগরের কোতোয়ালী থানার লালদিঘী পাড়ের জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটে অবস্থিত হোটেল তুনাজ্জিনা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতার ১১ জন হলেন- হানিফ ওরফে হাতপোড়া হানিফ, মো. কামাল হোসেন, মো. লিয়াকত হোসেন, মো. আকরাম ওরফে সাগর, মো. তৌফিক, মো. মাসুম, মো. মিজান, নয়ন মলিতক, মো. মিলন, জামাল উদ্দিন, মো. কামাল ওরফে ভুসি কামাল ওরফে জসিম। তাদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলায়। তাদের কাছ থেকে দুইটি এলজি, একটি লোহার কার্টার, একটি লোহার রড ও চারটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসীন সমকালকে বলেন, ‘নগরের নন্দনকানন ও জুবিলী রোড এলাকায় দুটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে এই ডাকাত চক্রের সন্ধান পাই। তারা নগরের একটি হোটেলে অবস্থান করছে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর তারা স্বীকার করেছে-এই দলের সদস্যরা সারাদেশে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন দোকান, ব্যবসা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি করে। সাধারণত মোবাইল, ল্যাপটপ এবং নগদ টাকা ডাকাতি করে তারা।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরম্নজ্জামান সমকালকে জানান, গ্রেফতার ১১ জনের মধ্যে একেকজন একেক কাজ করেন। সারাদিন ঘুরে ঘুরে নগদ টাকা লেনদেন হয় এমন প্রতিষ্ঠান টার্গেট করে হানিফ। এরপর কামালকে খবর দেয়। কামাল ডাকাতির পরিকল্পনা করার পর দলের অন্য সদস্যদের জড়ো করে। রাতের বেলা ভবঘুরের ভান করে টার্গেট করা দোকানের সামনে আশ্রয় নেয় দলের কিছু সদস্য। কয়েকজন মিলে কৌশলে বিছানার চাদর মেলে ধরে। এর আড়ালে দুইজন তালা কেটে কিংবা দোকানের সার্টার ফাঁক করে ভেতরে ঢুকে যায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে দোকানের ক্যাশ বাপ লুট ও বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে চম্পট দেয় ডাকাতদলের সদস্যরা। এসময় তাদের একটি গ্রুপের কাছে অস্ত্রও থাকে। কোন ধরণের বাধার সম্মুখিন হলে অস্ত্র ব্যবহার করে তারা। হানিফের নেতৃত্বে এ ধরনের ছোট ছোট নয়টি গ্রুপ রয়েছে। এসব গ্রম্নপের সদস্য প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ জন। তারা সারাদেশে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ডাকাতি করে থাকে। ১০ থেকে ১২ বছর ধরে তারা এভাবে ডাকাতি করে আসছে বলে গ্রেফতার ডাকাত দলের সদস্যরা স্বীকার করেছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :