১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৬ মুহাররম, ১৪৪১


চৌফলদন্ডীতে পুলিশের উপর হামলা করে ইয়াবা ব্যবসায়ী ছিনতাই, আহত ২

কক্সবাজার সদর উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন চৌফলদন্ডীতে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে আটককৃত চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীকে চিনিয়ে নিয়েছে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছে দুইজন। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।ঘটনায় জড়িত কেউ আটক হয়নি। ২১ আগস্ট বুধবার বিকাল ৫ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে ব্রীজের পাশে।খবর পেয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানা,ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্র, চৌফলদন্ডী ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জিম্মিদশা থেকে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে। এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়,ঘটনার সময় একই এলাকার আলী হোসেনের ছেলে চিহ্নিত ইয়াবা সম্রাট মোহাম্মদ হোসেনকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে আটক করে গাড়ীতে তোলার চেষ্টা করে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের এসআই কাজী আবুল বাসারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এ সময় পাশের দোকানে অবস্থানরত তার আপন দুই ভাই আয়াছুর রহমান ও নজরুল ইসলাম এগিয়ে এসে পুলিশের সাথে তর্কে জড়ে যায়। জানতে চান মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে কি মামলা আছে? এসময় পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়, এক পর্যায়ে হাতাহাতির রূপ নিলে পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম নামের এক কনেস্টবল ও মোহাম্মদ হোসেন আহত হয়। পরক্ষণেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোহাম্মদ হোসেনের চাচাত ভাই জাফর আলমের ছেলে হারুন অর রশিদ নামের এক যুবক। সে এসে পুলিশের সাথে ফের তর্কে জড়িয়ে পড়ে মোহাম্মদ হোসেনকে ছিনিয়ে নিয়ে চৌফলদন্ডী বাজারে একটি ফার্মেসীতে পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করান। একই ভাবে পুলিশ সদস্য রবিউলকেও পাশ্ববর্তী আরেকটি ফার্মেসীতে চিকিৎসা করান অপরাপর পুলিশ সদস্যরা। সেই মুহুর্তে পুনরায় হারুন অর রশিদ, নুরুল হকের ছেলে চিহ্নিত মানবপাচারকারী ও বহু অপকর্মের হোতা একরাম মেম্বারের ছোট ভাই মাসুম পারভেজ, নজরুল ইসলাম, আয়াছুর রহমানের নেতৃত্বে ২০/৩০ জন নারী পুরুষ মিলে পুনরায় পুলিশের উপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ৫/৬ গুলি বর্ষন করেন বলে জানান এলাকাবাসী। খবর পেয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি খন্দকার ফরিদুল আলম, ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে কয়েকটি টিম ঘটনাস্থল পৌঁছে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। রিপোর্ট লেখা কালীন সময়ে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও মারধর পুর্বক হামলার মামলা হবে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।পরে পাওয়া গেলে গুরুত্বসহকারে ছাপানো হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :

error: Content is protected !!