২১ আগস্ট, ২০১৯ | ৬ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০


জেলে সেজে মাদক ব্যবসায়ী ধরল ঈদগাঁও পুলিশ 

কক্সবাজার সদর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চল চৌফলদন্ডীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিনকে অবশেষে জেলে সেজে আটক করেছে পুলিশ। সে বর্ণিত ইউনিয়নের খামার পাড়া ৬নং ওয়ার্ডের  মৃত ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে। ১১ আগস্ট গভীর রাতে তাকে চিংড়ি ঘেরের পাহারা বাসা থেকে আটক করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটককৃত গিয়াস উদ্দিন ইউনিয়নের চিহ্নিত একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী। পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তরে তালিকায় তার নাম রয়েছে। পুলিশ তাকে ডজনখানেক বার আটকের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এদিন গভীর রাতে বিশ্বস্ত সোর্সের তথ্য ভিত্তিতে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামানের নির্দেশে আইজিপি পদক প্রাপ্ত (এসআই) আবু বকর ছিদ্দিক, এএসআই বিলাস সরকারসহ একদল সঙ্গীয় ফোর্স চৌফলদন্ডী দক্ষিণ খামার পাড়া  জনৈক ব্যক্তির চিংড়ি ঘেরে  অবস্থান করছে খবর পেয়ে রামু উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের মাছুয়া খালী  পশ্চিম মগ পাড়া এলাকার ওয়াপদা হয়ে ৫ কিলোমিটার উপকূলীয় অঞ্চলের বেড়িবাঁধ অতিক্রম করে ঐ চিংড়ি ঘেরে পৌঁছে পুলিশ।পরে পুলিশ সদস্যরা ঘেরের পাহারা বাসার উভয় দিক থেকে মাছ শিকারের  জাল পাতে।এ সময় মাদক ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন টের পেয়ে মাছ চোর সন্দেহ করে পুলিশ সদস্যদের দিকে এগিয়ে আসলে ঝাপটে ধরে পুলিশ। তাৎক্ষণিক তার শরীর তল্লাশি করে ৩০ পিস ও স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঘেরের পাহারা বাসা থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা  আরো ৭০ পিস মরন নেশা ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযান পরিচালনা কারী অফিসার এসআই আবু বকর ছিদ্দিক জানান, তাকে আটকের জন্য একাধিক বার চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রতিবারই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়ে,সে থেকে বিশ্বস্ত সোর্স নিয়োগ দিয়ে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান  জানান, আটককৃত গিয়াস উদ্দিন ইউনিয়নের চিহ্নিত একজন ইয়াবা সম্রাট। সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় খুচরা ইয়াবা বিক্রি করে আসছিল। তাকে ধরার জন্য পুলিশ কয়েকবার অভিযান চালিয়েছিল। শেষমেশ এদিন পুলিশ অভিনব পন্থা অবলম্বন করে তাকে আটক করতে সক্ষম হন।তার বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলা রুজু করে ১২ আগষ্ট ঈদুল আজহা’র দিন সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :