২২ অক্টোবর, ২০১৯ | ৬ কার্তিক, ১৪২৬ | ২১ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাঁওতে ৭ বছরের ভাতিজিকে ধর্ষনঃ ধর্ষক চাচা আটক   ●  মাদক মামলায় এসআই’র ৫ বছরের কারাদণ্ড   ●  ঈদগাহকে থানা হিসেবে অনুমোদন   ●  কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপে শিল্প-কারখানা স্থাপন নয় : প্রধানমন্ত্রী   ●  কক্সবাজার জেলা কমিউনিটি পুলিশ : সাংবাদিক তোফায়েল সভাপতি, যুবলীগের বাহাদুর সেক্রেটারি   ●  গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক অনুভূতিতে আঘাত হানা থেকে বিরত থাকুন : ডিসি কামাল হোসেন   ●  কক্সবাজার আদালতে ইয়াবা মামলায় ২ আসামির ৫ বছর কারাদণ্ড   ●  চাল নিয়ে চালবাজি, সদর খাদ্য গুদাম সীলগালা   ●  রামুতে ভূয়া জন্ম সনদে রোহিঙ্গা স্ত্রীকে ভোটার করার চেষ্টা, দম্পতিকে জরিমানা   ●  ইসলামপুরে জুয়ার আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশঃ  আটক ৬

দুই যুবতীর নিখোঁজ নাটক ! উদ্ধারের পর পারিবারিক নির্যাতন

পারিবারিক নির্যাতন ও অভাব অনটন সহ্য করতে না পেরে মা বাপের অগোচরে দুই যুবতী কর্মের সন্ধানে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। অভিভাবক সাজিয়েছে অপহরণ নাটক। যে নাটকে থানায় জিড়ি। এ ঘটনায় সন্দেহজনক দুই যুকবকে আটক করে পুলিশ ।
এ সুযোগে একটি দালাল চক্র মামলার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সন্দেহ হলে মাঠে নামে রহস্য উদঘাটনের জন্য।
ঘটনার সূত্রপাত কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের ৬ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ফতে আলী সিকদার পাড়ায়। গেল ২জুলাই স্থানীয় গোলাম কুদ্দুচের কন্যা সালমা আকতার (১৫) আপন চাচাত বোন গোলাম রশিদের কন্যা এস্তেফা বেগম (১৩) দুই বোন মিলে মা-বাপ আতœীয়স্বজনের অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে গোলাম কুদ্দুচ গত ৫ জুলাই কুতুবদিয়া থানায় ১৬৮নং সাধারণ ডায়েরী করে। পারিবারিক অন্তকোন্দলের জের ধরে একই এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে ফাইসাল রহমান রনি (২২) ও জানু মিয়ার ছেলে শাহাব মিয়ার (২৩) কে কুতুবদিয়া থানা পুলিশ গত ৭ জুলাই সন্দেহজনক আটক করে দন্ডবিধি ৫৪ ধারায় কুতুবদিয়া আদালতে প্রেরণ করে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে পুলিশের আরো সন্দেহ জাগে।
কুুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস অনুসন্ধানে নেমে মোবাইল টেকিংয়ে গত ৬ আগস্ট ভোর ৫টায় অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ সালমা আকতারকে জনৈক রুনা আক্তার স্বামী দিদারুল আলমের পটিয়াস্থ ৮হওকারা ১নং ওয়ার্ডের সিকু মাঝির ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করে। তার স্বীকারোক্তিমতে এস্তেফা বেগমকে চট্টগ্রামস্থ ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন কলোনী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
কুতুবদিয়া থানার ওসি দিদারুল ফেরদাউস ও এসআই জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে অভিযানে দুই যুকতী উদ্ধারের পর সালমা ও এস্তেফা পুলিশের নিকট দেয়া স্বীকারোক্তিতে মুল রহস্য উদঘাটন বেরিয়ে আসে। দুই যুবতী পারিবারিক নির্যাতন ও অভাব অনটনের কারণে তারা দুই জনই চাকুরীর সন্ধানে পরিবারের সবার অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। গত ৬ আগস্ট দুপুরে উদ্ধার হওয়া দুই যুবতীর স্বীকারোক্তি মতে সে সময়ে সন্দেহজনক আটক দুই যুবক রনি ও শাহাব মিয়াকে কুতুবদিয়া জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালত জামিনে মুক্তি দেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :