২২ আগস্ট, ২০১৯ | ৭ ভাদ্র, ১৪২৬ | ২০ জিলহজ্জ, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ রোহিঙ্গা নিহত   ●  রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে আজ   ●  ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী   ●  মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের হামলায় ৩০ সেনা নিহত   ●  মাতামুহুরী নদী থেকে দুই হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ   ●  চৌফলদন্ডীতে পুলিশের উপর হামলা করে ইয়াবা ব্যবসায়ী ছিনতাই, আহত ২   ●  ঈদগাঁওতে সৌদিয়া পরিবহনের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত   ●  জালালাবাদ থেকে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ   ●  চকরিয়ায় সার্ফারী পার্কে প্রশিক্ষিত হাতির আঘাতে মাহুত নিহত   ●  বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস ক্ষমা করেনি-এমপি কমল

দুই যুবতীর নিখোঁজ নাটক ! উদ্ধারের পর পারিবারিক নির্যাতন

পারিবারিক নির্যাতন ও অভাব অনটন সহ্য করতে না পেরে মা বাপের অগোচরে দুই যুবতী কর্মের সন্ধানে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। অভিভাবক সাজিয়েছে অপহরণ নাটক। যে নাটকে থানায় জিড়ি। এ ঘটনায় সন্দেহজনক দুই যুকবকে আটক করে পুলিশ ।
এ সুযোগে একটি দালাল চক্র মামলার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সন্দেহ হলে মাঠে নামে রহস্য উদঘাটনের জন্য।
ঘটনার সূত্রপাত কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের ৬ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ফতে আলী সিকদার পাড়ায়। গেল ২জুলাই স্থানীয় গোলাম কুদ্দুচের কন্যা সালমা আকতার (১৫) আপন চাচাত বোন গোলাম রশিদের কন্যা এস্তেফা বেগম (১৩) দুই বোন মিলে মা-বাপ আতœীয়স্বজনের অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে গোলাম কুদ্দুচ গত ৫ জুলাই কুতুবদিয়া থানায় ১৬৮নং সাধারণ ডায়েরী করে। পারিবারিক অন্তকোন্দলের জের ধরে একই এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে ফাইসাল রহমান রনি (২২) ও জানু মিয়ার ছেলে শাহাব মিয়ার (২৩) কে কুতুবদিয়া থানা পুলিশ গত ৭ জুলাই সন্দেহজনক আটক করে দন্ডবিধি ৫৪ ধারায় কুতুবদিয়া আদালতে প্রেরণ করে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে পুলিশের আরো সন্দেহ জাগে।
কুুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস অনুসন্ধানে নেমে মোবাইল টেকিংয়ে গত ৬ আগস্ট ভোর ৫টায় অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ সালমা আকতারকে জনৈক রুনা আক্তার স্বামী দিদারুল আলমের পটিয়াস্থ ৮হওকারা ১নং ওয়ার্ডের সিকু মাঝির ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করে। তার স্বীকারোক্তিমতে এস্তেফা বেগমকে চট্টগ্রামস্থ ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন কলোনী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
কুতুবদিয়া থানার ওসি দিদারুল ফেরদাউস ও এসআই জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে অভিযানে দুই যুকতী উদ্ধারের পর সালমা ও এস্তেফা পুলিশের নিকট দেয়া স্বীকারোক্তিতে মুল রহস্য উদঘাটন বেরিয়ে আসে। দুই যুবতী পারিবারিক নির্যাতন ও অভাব অনটনের কারণে তারা দুই জনই চাকুরীর সন্ধানে পরিবারের সবার অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। গত ৬ আগস্ট দুপুরে উদ্ধার হওয়া দুই যুবতীর স্বীকারোক্তি মতে সে সময়ে সন্দেহজনক আটক দুই যুবক রনি ও শাহাব মিয়াকে কুতুবদিয়া জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালত জামিনে মুক্তি দেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :