২২ অক্টোবর, ২০১৯ | ৬ কার্তিক, ১৪২৬ | ২১ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ঈদগাঁওতে ৭ বছরের ভাতিজিকে ধর্ষনঃ ধর্ষক চাচা আটক   ●  মাদক মামলায় এসআই’র ৫ বছরের কারাদণ্ড   ●  ঈদগাহকে থানা হিসেবে অনুমোদন   ●  কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপে শিল্প-কারখানা স্থাপন নয় : প্রধানমন্ত্রী   ●  কক্সবাজার জেলা কমিউনিটি পুলিশ : সাংবাদিক তোফায়েল সভাপতি, যুবলীগের বাহাদুর সেক্রেটারি   ●  গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক অনুভূতিতে আঘাত হানা থেকে বিরত থাকুন : ডিসি কামাল হোসেন   ●  কক্সবাজার আদালতে ইয়াবা মামলায় ২ আসামির ৫ বছর কারাদণ্ড   ●  চাল নিয়ে চালবাজি, সদর খাদ্য গুদাম সীলগালা   ●  রামুতে ভূয়া জন্ম সনদে রোহিঙ্গা স্ত্রীকে ভোটার করার চেষ্টা, দম্পতিকে জরিমানা   ●  ইসলামপুরে জুয়ার আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশঃ  আটক ৬

পাঁচ তরুণের উদ্ভাবন : বিচ্ছিন্ন দুর্গত এলাকার জন্য ওয়াই-ফাই

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, তখন সাহায্যপ্রার্থীদের অবস্থান শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন কিন্তু সবচেয়ে জরুরি কাজ বলে বিবেচিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে যোগাযোগের একটি চমত্কার কৌশল উদ্ভাবন করেছেন কয়েকজন তরুণ।

নিউইয়র্কের এই পাঁচ তরুণ কম্পিউটার প্রকৌশলীর উদ্ভাবিত ছোট্ট একটি যন্ত্র ১০ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকায় ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কভার করতে সক্ষম। এর ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপদগ্রস্ত যে কেউ এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সহজেই বার্তা পাঠাতে পারবে। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস করপোরেশনের (আইবিএম) কম্পিউটার হ্যাকথন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এই উদ্ভাবন দিয়ে সেরা পুরস্কার জিতে নিয়েছেন এ তরুণরা। খবর ব্লুমবার্গ।

গত বছর ‘কল ফর কোড’ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আইবিএম। যেখানে ক্লাউড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রস্তুতি আরো চৌকস করে তোলার একটি ব্যবস্থা উদ্ভাবন করতে বলা হয়।

‘প্রজেক্ট আউল’-এর পাঁচ তরুণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ব্যবহারযোগ্য ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সৃষ্টিকারী যন্ত্রটি উদ্ভাবন করে আড়াই হাজার প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে বিজয়ী হন। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন দুই লাখ ডলার।

ডাকলিঙ্কস নামের যন্ত্রটি মূলত খুবই ক্ষুদ্র

একটি ইলেকট্রিক নোড, যা একটি বেসবল আকৃতির রাবার আবরণের ভেতরে বসানো থাকে। এই যন্ত্রটি ১০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকাজুড়ে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করতে সক্ষম। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্লাবিত এলাকায় এটি ভাসতে থাকবে। তখন সাধারণ সেলফোন দিয়ে বিপদগ্রস্ত ও সাহায্যকারীর মধ্যে যোগাযোগ সম্ভব হবে। যন্ত্রটির ব্যবহার অত্যন্ত সহজ ও সাশ্রয়ী।

এদিকে গত মার্চে ডিভাইসটি স্থাপন করতে প্রজেক্ট আউলের সদস্যদের সঙ্গে যোগ দেন আইবিএমের প্রতিনিধিরা। ২০১৭ সালে ঘূর্ণিঝড় মারিয়ায় লণ্ডভণ্ড পুয়ের্তো রিকোর পাঁচটি এলাকায় এই ডাকলিঙ্কস ডিভাইস বসানো হয়েছে। দুই সপ্তাহ পরীক্ষামূলক চালনার পর বিভিন্ন স্থানে ডাকলিঙ্কস বসানো হয়। বনের গভীরে গাছে, গাড়ির দরজায়, সমুদ্রপাড়ের বালিতে, এমনকি হিলিয়াম বেলুনে করে বিভিন্ন সুউচ্চ ভবনের ওপরও এটি লাগানো হয়েছে।

প্রজেক্ট আউলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিয়ান নওস বলেন, ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ব্যাপকভাবে বিশৃঙ্খলা ও তথ্যবিভ্রাট ঘটে। কোথায় সাহায্য বেশি প্রয়োজন, সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে হবে। আমরা এমন একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক তৈরি করেছি, যা খুবই কম খরচে ও দ্রুততম সময়ে এই কাজ করবে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :