২১ আগস্ট, ২০১৯ | ৬ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০


পেকুয়ার উজানটিয়া ও মগনামায় ঘূর্ণিপাকে ৫০ বসতবাড়ি বিধ্বস্ত : ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ফেরাসিঙ্গা পাড়া, ষাটদুনিয়া পাড়া, বাজার পাড়া, মগনামা ইউনিয়নের কালার পাড়াসহ আরো কয়েকটি পাড়ায় বাতাসের হঠাৎ ঘূর্ণিপাকে ৫০ টি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। রেজিয়া বেগম নামের এক গৃহবধূ আহত হয়েছে।বুধবার দুপুর ১টার দিকে প্রবল বাতাসের ঘূর্ণিপাকের কারণে এ ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে স্থানীয় ইউপি সদস্যরা নিশ্চিত করেন।

উজানটিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবদু রহিম বলেন, আমার ওয়ার্ডের ফেরাসিঙ্গা পাড়ায় বাতাসের প্রবল ঘূর্ণিপাকে জাফর আলম, নুরুল আলম, বেলাল হোসেন, আবুল হাশেম, আবুল হোসেন, শহিদুল্লাহ, আবদু শুক্কুর, জালাল আহমদের বসতবাড়ি সম্পূর্ন বিধ্বস্ত হয়ে ৩০ লাখ টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আরো ১০টির মত বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সমস্ত পরিবারের সবাই খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।

ষাটধুনিয়া পাড়া ও বাজার পাড়ার ইউপি সদস্য ছিদ্দিক আহমদ বলেন, আমার ওয়ার্ডের আরফা বেগম, আবদু শুক্কুর, নন্যা মিয়া, রবি আলম, মোঃ হোছাইনের বসতবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। আরো ১০ টির মত বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।

মগনামা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম বলেন, কালার পাড়ায় ৬টি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। তাৎক্ষনিকভাবে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। তারা যাতে কষ্ট না পায় সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

উজানটিয়া ইউপির চেযারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২০টির মত বসতবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এক মহিলা ও এক শিশু আহত হয়েছে। তাদেরকে তাৎক্ষনিকভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে।

তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুব-উল করিম বলেন, বাতাসের প্রবল ঘূর্ণিপাকের কারণে উজানটিয়া এবং মগনামায় বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এ সমস্ত এলাকায়। তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। পেকুয়া উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম মিনু ঘুর্ণিঝড় এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :