১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৬ মুহাররম, ১৪৪১


পেকুয়া উজানটিয়াতে ধীর-গতিতে চলছে বেড়িঁ-বাধের কাজ:বর্ষায় প্লাবিত আশংঙ্খা

জিয়াউল হক জিয়া,চকরিয়াঃকক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়াতে পাউবোর ইর্মাজেন্সি বেড়িঁ-বাধের কাজ ঠিকাদারের অবহেলায় ধীরগতিতে চলছে।এতে কাজের অগ্রগতি দেখে আসন্ন বর্ষার পানিতে আবারো এলাকাটি প্লাবিত হওয়া আশংঙ্খা বলে অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের। সরেজমিনে গিলে, ইউনুছ এন্ড বাদ্রাসের   ম্যানেজার মোস্তফা জানান,পাউবোর ইর্মাজেন্সি বাজেটে ৩২শ মিটারের কাজের মধ্যে প্রায় ২৬মিটারের মাটি ভরাটের কাজ আমরা শেষ করেছি।বাকী ৬মিটারের কাজ আস্তে ধীরে চলার কারণ নাকি বকেয়া বিল পাচ্ছেনা।আর পূর্ব পাশের চলমান কাজটির অনুমতি পাউবো না দেওয়ায় বিলম্ব হল।আশা করি বর্ষা আগে শেষ হবে।উজানটিয়া ইউপির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম দৈনিক আমার বার্তা রুপালী সৈকতকে জানান,পাউবোর ইর্মাজেন্সি ৩২শ মিটারের কাজের মধ্য ২৬শ মিটারের কাজ প্রায় শেষ করলেও,সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে দিকটি,এই দিকের বেড়ি-বাঁধের কাজ এখনো শুরু করছেনা ঠিকাদার ইউনুছ।বাকী ৬শ মিটারের এই কাজ আসন্ন বর্ষার পূর্বে শেষ করতে না পারলে আমার ইউপির পুরো এলাকাটা পানি প্লাবিত হয়ে থাকবে।এছাড়া শেষ হওয়া মাটি ভরাট বেড়িবাধেঁর মাটিও পানিতে তলিয়ে যাবে।আবারও পুরো এলাকাটা জোয়ার-বাটার পানিতে ভেসে থাকবে।ফলে এলাকার মানুষের অভাব অনটন দেখা দিবে।খাবার কোন খাদ্যশষ্য থাকবেনা।জন-জীবনে র্দূভোগের অন্তহীন সমস্যা দেখা দিবে।তাই আমি এই ঠিকাদারকে বারংবার ফোনে বিরক্ত করলেও,কাজের কোন অগ্র-গতি দেখা যাচ্ছেনা।এ বিষয়ে বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডে অভিযোগ দিলেও,এ পর্যন্ত কোন সুরহা মিলছেনা বলে জানিয়েছেন।এলাকাবাসী ও মৎস কিংবা লবণ চাষীরা জানান,ইউপি চেয়ারম্যান আমাদের কাছ থেকে গণ-চাদাঁ নিয়ে এবং অবশষ্টি টাকা নিজেই দিয়ে অনন্ত জোয়ার-ভাটার পানির কবল থেকে বাচার রক্ষা বাধঁ দিয়েছে।কিন্তু ঠিকাদারের অবহেলাতে অসম্পূন্ন কাজ বর্ষার মৌসুমের আগে শেষ না হলে এলাকায় পানির তান্ডবে বসবাস করা যাবেনা।ঠিকাদার ইউনুছ মুঠোফোনে বলেন,বাকী কাজটার প্রোফাইল দিলেও কাজের অনুমতি দেইনি সংশ্লিষ্ট পাউবো।তাই কাজটি করা সম্ভব হয়নি।এছাড়াও সম্পন্ন হওয়া কাজের বকেয়া বিলও পাইনি।তবু কাজ বন্ধ রাখিনি।যদি বকেয়া বিলটি পায়,তাহলে একটানা কাজ করলে বর্ষার মৌসুমের পূর্বে শেষ হবে।তাছাড়া সম্পন্ন কাজটি বাজেট হল ৬১কোটি টাকা।বান্দরবান পাউবোর প্রকৌশলী মোঃরাকিব মুঠোফোনে বলেন,আমি নিজেই স্পটে যাব,এবং কাজের অনগ্রসরের বিলম্বটা দেখে ঠিকাদারকে যেভাবে চাপ প্রয়োগ করতে হয় করবো।কারণ এবিষয়ে এলাকার চেয়ারম্যান খুব উদ্বিগ্ন,বর্ষার মৌসুমের পূর্বে বাকী কাজটা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া গ্রহনে এ কাজ চালানো ব্যবস্হা করব।তবে ঠিকাদারের কাজের বকেয়া কোন বিল নাই।এসব ফাকিঁ-বাজি ছাড়া কিছুই নহে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :

error: Content is protected !!