১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৬ মুহাররম, ১৪৪১


প্রচন্ড দাবদাহে জনজীবনে নাভিশ্বাস

নুরুল আমিন হেলালী: বৈশাখের মাঝামাঝিতে প্রচন্ড দাবদাহে ত্রাহি অবস্থা জনজীবনে। দাবদাহে অতিষ্ট জনজীবনে অধরা স্বস্থির ফোঁটা। গত কয়েকদিন যাবৎ একদিকে প্রচন্ড গরম অন্যদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং ফলে জনজীবনে নাভিশ্বাস দেখা দিয়েছে। গত কিছুদিন আগে একঝলক বৃষ্টিতে বৈশাখের তাপদাহে অতিষ্ট জেলার সর্বত্র শুষ্ক প্রাণে সাময়িক স্বস্থি ফিরে এলেও পরবর্তীতে প্রকৃতির স্বরুপে ফেরা অগ্নিমূর্তিতে আবারও অধরা স্বস্থির ফোঁটা। ফলে প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন প্রাণিকুল। ফলে বাড়ছে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ। প্রচন্ড দাবদাহের কারণে শ্রমজীবি মানুষসহ সাধারন মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে। অনেক ভ্যান-রিক্সাচালক,দিনমজুর দুপুরে অলস সময় পার করছেন। প্রচন্ড গরমের কারণে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হওয়া নিরাপদ মনে করছে না। তবে গরমে সবচেয়ে অস্বস্থিকর অবস্থা শিশু ও বয়স্কদের। ডায়রিয়া স্বর্দিজ্বর থেকে শুরু করে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগির সংখ্যা। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, এ সময়টাতে যেহেতু পানিশুণ্যতা রোগে সবচেয়ে বেশী ভোগে সেহেতু অতিরিক্ত গরম বা রোদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নুরুল করিম খাঁন বলেন,এসময় শিশুরা পানি শুণ্যতা রোগে সবচেয়ে বেশি ভোগে তাই প্রচন্ড গরম কিংবা রোদ থেকে যতটুকু সম্ভব শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে পাশাপাশি বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। অন্যদিকে শহরের ব্যস্ত সড়কের পাশে খোলা আকাশে কিংবা ফুটপাতে বিক্রি করা শরবতসহ অন্যান্য খোলা খাবার খেয়েও গরমে শ্রান্ত-ক্লান্ত নিম্ন আয়ের মানুষগুলো পেটের পিড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, অসহনীয় গরমে ক্লাসে তাদের ত্রাহি অবস্থা। অন্যদিকে কর্মজীবি মানুষগুলোও পড়েছে বিপাকে। অনেকের মতে রাতে মশা দিনে মাছি তার সাথে প্রচন্ড গরম এবং বিদ্যুতের ভেল্কিবাজী সবমিলিয়ে অতিষ্ট জনজীবন। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে, যতটুকু সম্ভব ফুটপাতের খাবার এড়িয়ে চলা উচিৎ। আবহওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, আরো দু,একদিন এঅবস্থা বিরাজমান থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :

error: Content is protected !!