২৩ আগস্ট, ২০১৯ | ৮ ভাদ্র, ১৪২৬ | ২১ জিলহজ্জ, ১৪৪০


বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হবে- পাউবো’র প্রধান প্রকৌশলী

এম.এ আজিজ রাসেল:ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে এখনো বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। অমাবস্যা ও জোয়ারের পানি ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে ঢুকে প্লাবিত হয়েছে ঘরবাড়ি। নতুন করে বেড়িবাঁধও ভাঙছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ভাঙা বাঁধ সংস্কার করে জোয়ারের প্লাবন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। শনিবার (৪ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদরের গোমাতলী, চৌফলদন্ডী ও খুরুস্কুল আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মীর মোশারফ হোসেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তিনি মানুষের দুর্দশা অবলোকন করেন। তিনি বলেন, জেলার টেকনাফ, মহেশখালী, পেকুয়া, চকরিয়া, কুতুবদিয়াসহ আট উপজেলায় বেড়িবাঁধ রয়েছে ৫৯৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে আরও ১০ কিলোমিটার। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হবে। এ জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশে জিও টিউব বসানো হবে। যার উচ্চতা ১৫ ফিট। এতে আর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সে সুযোগে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হবে। তিনি আরও বলেন, জোয়ারের ধাক্কায় ধলঘাটার সরাইতলী ও হামিদখালী গ্রামে ২০-৩০ মিটার বেড়িবাঁধ বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ৩শ’ লোকজন দিয়ে ভাঙা বেড়িবাঁধ সংস্কারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাউবো কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকোশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা। তিনি বলেন, ধলঘাটায় ভাঙা বাঁধের সংস্কারকাজ চলছে। অন্যান্য এলাকার ভাঙনরোধে কাজ করছে পাউবো।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :