২১ অক্টোবর, ২০১৯ | ৫ কার্তিক, ১৪২৬ | ২১ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার স্বামীর যৌ’তুকের মা’মলায় স্ত্রীর কা’রাদ’ণ্ড

স্ত্রী যৌ’তুক দাবী করায় ওয়াহেদ আলী নামীয় এক ব্যক্তি স্ত্রীর বি’রুদ্ধে যৌ’তুক আইনে মা’মলা দা’য়ের করে। ওই মা’মলা স্ত্রীর বি’রুদ্ধে এক বছরের সাজা ও দশ হাজার টাকা জরিমানার রায় দেয় বিচারিক আ’দালত। ৩০ সেপ্টেম্বর লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জু’ডিসিয়াল ম্যা’জিষ্ট্রেট বিচারিক আ’দালত-৩ এর বিচারক নুসরাত জামান এ রায় দেন।

মা’মলার বিবরণে জানা যায়, চার বছর আগে লক্ষ্মীপুর সদরের ভবানীগঞ্জ ইউপির আলীপুর গ্রামের সফি উল্যাহ ভূঁইয়ার কন্যা আয়েশা আক্তার মিতুর সাথে একই ইউপির ধর্মপুর গ্রামের সৈয়দ আহম্মদের পুত্র ওয়াহেদ আলীর বিবাহ হয়। বিবাহের পর মিতু পড়তে ইচ্ছে কারায় তাকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে ভর্তি করে দেয় স্বামী।

এর পর থেকে মিতুর বে’পরোয়া চলাফেরা দেখে স্বামী বাধা নি’ষেধ করলেও তা মানতনা মিতু। গত ৮/৫/১৮ইং ওয়াহেদ আলীর দেয়া স্বর্ণলংকার ও ঘরে রক্ষিত নগদ টাকা নিয়ে মিতু তার বাড়ি থেকে পিতার বাড়ি চলে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শালিশে স্ত্রী আয়েশা আক্তার মিতু স্বামীর কাছে নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও তার নামে ১০ডিং জমি রেজিষ্ট্রি দা’বী করে। উক্ত টাকা ও জমি না দিলে মিতু স্বামীর জজিয়তে আসবে না এবং ঘর সংসার করবে না বলে জানায়।

এ ঘটনায় ওয়াহেদ আলী বা’দি হয়ে ১৬/৫/১৬ইং তারিখে সিনিয়র জু’ডিসিয়াল ম্যা’জিষ্ট্রেট আমলী অঞ্চল সদর লক্ষ্মীপুরে স্ত্রীর বি’রুদ্ধে যৌ’তুক নি’রোধ আইনের ৪ ধারায় মা’মলা দা’য়ের করে। যার সি আর মা’মলা নং ৪১৫/১৮ইং। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আ’দালত আয়েশা আক্তার মিতুকে দো’ষী সাব্যস্ত করে একবছর কা’রাদ’ণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জ’রিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কা’রাদ’ন্ডের রায় দেন।

বা’দীর আইনজীবী এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম জুয়েল বিজ্ঞ আ’দালতের রায়ে সন্তোষ জানান। ওয়াহেদ আলী জানান, বিবাহের পর থেকে আমার স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। আমার কাছে যৌ’তুক দা’বী করে। আমি আ’দালতে তার বি’রদ্ধে যৌ’তুকের মা’মলা করি। এ মা’মলা রায়ের মাধ্যমে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।

সুত্রঃ প্রিয় চাঁদপুর

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :