১৪ অক্টোবর, ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৪ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত   ●  নাইক্ষ্যংছড়ির তিন ইউপির ভোট আজ : বহিরাগত ঠেকাতে বারটি তল্লাশিচৌকি   ●  কক্সবাজারে শতাধিক বৌদ্ধ বিহারে প্রবারণা উৎসব শুরু   ●  আলীকদমে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১৩   ●  মহেশখালীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত   ●  আঘাত হেনেছে প্রলয়ঙ্করী টাইফুন, নিহত ১১   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ করবে সেনাবাহিনী- কক্সবাজারের সেনাপ্রধান   ●  যুবলীগের প্রত্যেককে ভালো মানুষ ও ভালো নেতা-কর্মী হতে হবে : সোহেল আহমদ বাহাদুর   ●  রোহিঙ্গাদের যারা ভোটার করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে : অতিরিক্ত সচিব   ●  যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দুক হামলা, নিহত ৪

বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ

আব্দুল কুদ্দুস রানা:

খুলনা শহর থেকে রূপসাসেতু পেরিয়ে মংলা বন্দরের দিকে যেতে মধ্যখানে পড়ে বাগেরহাট জেলা।

এই জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে আছে একটি প্রাচীন মসজিদ। নাম ষাটগম্বুক মসজিদ। মসজিদের উপরে একটির পর একটি করে সাজানো ৬০টি আকর্ষণীয় গম্বুজ।

মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে দৈর্ঘ্য ১৬০ ফুট। পূর্ব-পশ্চিমে ১০৪ ফুট। দেয়ালগুলো পুরুত্ব প্রায় ৮·৫ ফুট।মসজিদটি কখন তৈরি হয়েছিল-সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য নেই। নেই মসজিদের গায়ে কোনো শিলালিপি।মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে মন জুড়িয়ে যায়।

মসজিদটি তৈরি করেছিলেন খান-ই-জাহান।ধারণা করা হয়, খান-ই-জাহান ১৫০০ শতাব্দীতে এই মসজিদটি তৈরি করেন। এটি তৈরি করতে সময় লেগেছিল বহু বছর।খরচ হয় অঢেল টাকা। মসজিদ তৈরির লাল পাথরগুলো আনা হয়েছিল রাজমহল থেকে। মসজিদটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটি।

মসজিদটি দেখে আমরা অভিভুত হলাম। সফরসঙ্গি সাংবাদিক আবু তাহের চৌধুরী মসজিদের সামনের খোলা মাঠে বসে গেলেন। অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান, চট্টগ্রামের সাংবাদিক নেতা শহিদুল ইসলাম ও আসিফ সিরাজ মসজিদে ঢুকে পড়লেন নামাজ।

 

শতশত নারী পুরুষ শিশু ঘুরে ঘুরে দেখছেন ঐতিহাসিক মসজিদটি। মসজিদের পেছনে বিশাল একটি দীঘি। দীঘির নামটা জানা হলো না।

মসজিদের প্রধান ফটকে ডাব বিক্রির জমজমাট আসর। আমরাও সেই আসরে যোগ দিলাম। ডাবের পানি খুবই মিষ্টি-সেন্টমার্টিনের মতো।

একটু দুরে আরেক ঐতিহ্যবাহী খান জাহান আলীর মাজার। মাজারের সামনে বিশাল দীঘি। দীঘিতে আছে কালাপাহাড় আর ধলাপাহাড় নামের দুটি বিশাল কুমির। তাদের আবার সাঙ্গপাঙ্গও আছে অনেক।

অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান দীঘিতে নেমে গোসল শুরু করলেন। কালাপাহাড় এগিয়ে এলে তিনি দ্রুত পানি থেকে ডাঙায় ওঠে এলেন। হাসতে হাসতে বললেন, একটু দেরি হলে কালার পেটে চলে যেতাম।

বাগেরহাটের মহাসড়কটি খুবই সুন্দর-মশ্রিন।সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধ তাল ও খেজুর গাছ। গাছের পেছনে শুধু মাছের ঘের আর ঘের। কক্সবাজারের হ্যাচারীতে উতপাদিত পোনা দিয়েই এখানে চিংড়ি চাষ হচ্ছে।

লাল রঙের মধুমতি সেতুর ওপারে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া। একটু পরে আমরা টুঙ্গিপাড়ায় ঢুকবো।

১১ ফেব্রুয়ারি-২০১৮, বাগেরহাট।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার- প্রথম আলো। লেখাটি লেখকের ফেসবুক আইডি থেকে নেওয়া।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :