১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৬ মুহাররম, ১৪৪১


রামু থানার সেরা এ এস আই মনজুর এলাহী : জেলা পুলিশ সুপারের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট হস্তান্তর

পুলিশ জনগনের অকৃত্রিম বন্ধু। বহুল প্রচলিত বচনের বাস্তব উদাহরণ বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী সাব ইন্সপেক্টর মনজুর এলাহী। তিনি দীর্ঘ ১ বছরের ও বেশি সময় ধরে কক্সবাজারের রামু থানার আওতাধীন গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত।ক্রাইম জোন খ্যাত গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক জনগনের জানমালের নিরাপত্তা চরম হুমকিতে যখন দিশেহারা ঠিক তখন সহকারী সাব ইন্সপেক্টর মনজুর এলাহী গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে যোগদান করেন।চৌকস পুলিশের এই কর্মকর্তা যোগদানের পর চিহ্নিত ফেরারী আসামি গ্রেপ্তার, সন্ত্রাসী পাকড়াও সহ অপরাধ নির্মূলে ব্যাপক অভিযান করে ব্যাপক সফলতা পান।ফলে অপরাধীর আতংকে পরিনত হন।ব্যাপক ষড়যন্ত্র করে এ এস আই মনজুর এলাহী কে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে বদলি করার অপতৎপরতা ব্যর্থ চেস্টা চালান অপরাধ জগতের প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। কিন্তু পুলিশের উর্দ্ধতন মহল এসব ষড়যন্ত্র নসাৎ করে দেন।রামু থানার সম্মানিত অফিসার ইনচার্জ আবুল মনসুর অপরাধ দমনের বিষয়ে জিরোটলারেঞ্জ দেখানো সহ সাহসী পুলিশ অফিসারদের উৎসাহ দেওয়ার কারনে দ্রুত অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে।আর রামু থানার চৌকস অফিসাররা স্বাধীনভাবে কাজ করায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ প্রশাসন মূল্যয়ন করে সাহসী ও চৌকস সহকারী সাব ইন্সপেক্টর মনজুর এলাহী কে রামু থানার সেরা সহকারী সাব ইন্সপেক্টর মনোনীত করেন। ১৫ জুলাই বেলা ১২ টায় জেলা পুলিশের অপরাধ বিষয়ক সভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে রামু থানার শ্রেষ্ঠ সহকারী সাব ইন্সপেক্টর হিসাবে মনজুর এলাহীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। এ ব্যাপারে সহকারী সাব ইন্সপেক্টর মনজুর এলাহী জানান,অর্পিত দায়িত্ব পালন করার ক্ষেত্রে আমার আন্তরিকতার কোন ঘাটতি ছিল না।আর কাজের স্বীকৃতি পাওয়ায় কাজের গতি আরো বৃদ্ধি পাবে।কাজের মূল্যায়ন করায় মাননীয় কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার,রামু থানার সম্মানিত অফিসার ইনচার্জ সহ পুলিশ বিভাগের কর্মরত সকলের প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান কর্মবীর ও সাহসী সহকারী সাব ইন্সপেক্টর মনজুর এলাহী।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :

error: Content is protected !!