২২ আগস্ট, ২০১৯ | ৭ ভাদ্র, ১৪২৬ | ২০ জিলহজ্জ, ১৪৪০


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী   ●  মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের হামলায় ৩০ সেনা নিহত   ●  মাতামুহুরী নদী থেকে দুই হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ   ●  চৌফলদন্ডীতে পুলিশের উপর হামলা করে ইয়াবা ব্যবসায়ী ছিনতাই, আহত ২   ●  ঈদগাঁওতে সৌদিয়া পরিবহনের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত   ●  জালালাবাদ থেকে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ   ●  চকরিয়ায় সার্ফারী পার্কে প্রশিক্ষিত হাতির আঘাতে মাহুত নিহত   ●  বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস ক্ষমা করেনি-এমপি কমল   ●  আজ ভয়াল একুশে আগস্ট   ●  পদত্যাগ করছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী!

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাজার এখন চোরাই স্বর্ণের ডিপো

রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে গড়ে উঠা বাজার এখন চোরাই পথে আসা স্বর্ণের ডিপোতে পরিনত হয়েছে। মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন শত শত ভরি স্বর্ণ বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডুকছে। ফলে স্বর্ণের বাজারে বিরুপ প্রভাব সহ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুইটি বিশাল স্বর্ণের চালান আটক করেছে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় ৪জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। অভিযোগে প্রকাশ, ক্যাম্প ভিত্তিক গড়ে উঠা স্বর্ণের দোকানের কতিপয় মালিক ও চোরা চালানীর সিন্ডিকেট মিয়ানমার থেকে অবৈধ ভাবে স্বর্ণের চালান বাংলাদেশে নিয়ে আসছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নিকারুজ্জামান চৌধুরী গত সপ্তাহে অনুষ্টিত আইনশৃংখলা কমিটির সভায় অনিয়ন্ত্রিত ভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাজার গড়ে উঠা এবং আশাংকা জনক ভাবে ব্যাপক স্বর্ণের দোকান চালু হওয়ায় উদ্ধেগ প্রকাশ করেন। সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ক্যাম্পে যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠা বাজার গুলো নিয়ন্ত্রনে আনতে উপজেলা পর্যায়ে একটি কাঠামো তৈরির সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী, শাপলাপুর, লেদা, উনছি প্রাং, মোছনী, সালবন সহ ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’শতাধিক বাজার গড়ে উঠেছে। এ সব বাজারে শতাধিক স্বর্ণের দোকান রয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, রামু, উমখালী, কক্সবাজার সদর, চৌফলডন্ডি, খরুস্কুল ,মিঠাছড়ি, উখিয়া ও টেকনাফের স্বর্ণের ব্যবসায়ীরা ক্যাম্প গুলোতে প্রতিযোগিতা মূলক স্বর্ণের দোকান চালু করেছে। এত বেশী দোকান রয়েছে যা রীতিমত অবাক হওয়ার মত। এমনকি অনেক মালিকের ২/৩টি পর্যন্ত স্বর্ণের দোকান রয়েছে। অভিযোগে প্রকাশ, স্বর্ণের দোকানের কতিপয় মালিক ও চোরা কারবারী সিন্ডিকেটের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে শত শত ভরি স্বর্ণ অবৈধ পথে পাচার করে এনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মজুত করে রাখে। সেখান থেকে সুবিধা মত সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ সব চোরাই র্স্বণ পাচার করা হয়। বলতে গেলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এখন চোরাই স্বর্ণের ডিপো হিসাবে গড়ে উঠেছে। এদিকে, দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, গত ৩জুন ঘুমধুম মনজয় পাড়া ক্যাম্পের বিজিবি’র সদস্যরা অভিযান চালিয়ে একশত ৭২ কেজি স্বর্ণ জব্দ সহ ১জনকে আটক করেন । গত ৫জুন বালুখালী ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি স্বর্ণ সহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বিজিবি’র ক্যাম্প কমান্ডার জানান, এ সব স্বর্ণ মিয়ানমার হতে বাংলাদেশ সিমান্ত পয়েন্ট দিয়ে পাচার হয়ে আসছিল। জব্দকৃত স্বর্ণের মধ্যে রয়েছে হাতের বালা, চুড়ি, গলার হার, আংটি সহ বিভিন্ন ধরণের তৈরীকৃত। এ ব্যয়পারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছ।
#

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :