১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৪ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৯ মুহাররম, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর উপকূলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ   ●  রোহিঙ্গাদের পাসপোর্টে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   ●  জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ নিহত ৩   ●  টেকনাফে জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির অভিযোগে উদ্যোক্তা সহ আটক ২   ●  পেকুয়ায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার   ●  চকরিয়ায় বন্ধুর ছোটবোনকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার   ●  ৩৬ ঘন্টায় বিশ্বজুড়ে ছড়াতে পারে ফ্লু, মারা যেতে পারে ৮ কোটি মানুষ   ●  ঈদগাঁওতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের শত কোটি টাকার জমি দখল করে স্থাপনা   ●  টেকনাফে ২১০ টি মিয়ানমারের সীমকার্ড সহ ৩ রোহিঙ্গা আটক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাটাতাঁরের বেড়াসহ প্রসাশনিক ব্যবস্থা আরো জোরদার করার দাবী

রোহিঙ্গাদের অপরাধ ঠেকাতে আশ্রয় শিবিরগুলোর চারপাশে কাঁটাতারের বেড়াসহ প্রসাশনিক ব্যবস্থা আরো জোরদার করার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। আড়াই থেকে তিন ফুট ইটের গাঁথুুনির উপর এ প্রাচীর নির্মাণ হবে। আলাদা ৭টি ক্যাম্পের চারদিকে ১৫৭ কিলোমিটারজুড়ে কাঁটাতার বসানোর দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেয়ার সম্ভাবনা আছে।

কাজটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে আরআরআরসির (শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়) পক্ষ থেকে সরকারকে প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। এর আগে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তায় চারদিকে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুশাসন দেন। এসবের পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের যৌথ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে স্থান চিহ্নিত করে জমি বরাদ্দ দেয়া হবে। ক্যাম্প এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে দুটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে। এজন্য পুলিশ অধিদফতর থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। সে অনুযায়ী কার্যক্রম চলছে।

এসব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করছি, যাতে তারা ক্যাম্প থেকে বের হতে না পারে। ক্যাম্পের ভেতর যেন অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সেজন্যও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ক্যাম্পে সন্ত্রাসীরা খুন-ধর্ষণ, চুরি-ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার, শিবির থেকে পালিয়ে যাওয়া, মাদক ও মানব পাচারসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

দুই বছরে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ৪৩ রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ, চুরি, মাদক ও মানব পাচারসহ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৪৭১টি। এগুলো বন্ধের জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সর্বশেষ ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়- রোহিঙ্গাদের গতিবিধি অবজারভেশনে রাখা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :