১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৪ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৯ মুহাররম, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর উপকূলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ   ●  রোহিঙ্গাদের পাসপোর্টে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   ●  জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ নিহত ৩   ●  টেকনাফে জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির অভিযোগে উদ্যোক্তা সহ আটক ২   ●  পেকুয়ায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার   ●  চকরিয়ায় বন্ধুর ছোটবোনকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার   ●  ৩৬ ঘন্টায় বিশ্বজুড়ে ছড়াতে পারে ফ্লু, মারা যেতে পারে ৮ কোটি মানুষ   ●  ঈদগাঁওতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের শত কোটি টাকার জমি দখল করে স্থাপনা   ●  টেকনাফে ২১০ টি মিয়ানমারের সীমকার্ড সহ ৩ রোহিঙ্গা আটক

লামায় বমু খালে পানিতে ডুবে ৭ দিন ধরে সন্ধান নেই দুই শিশুর

বান্দরবানের লামা উপজেলার বমু খালের পানিতে ডুবে মাছ ৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন এক পরিবারের দুই কন্যা শিশু।উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি বমু খালের বাতেন টিলা  (৭ নং ওয়ার্ড)এর এলাকার একটি বিলে মাছ ধরতে গিয়ে তারা নিখোঁজ হয়।নিখোঁজ দুই শিশুর নাম ইয়াছমিন আক্তার (১০) ও মোর্তুজা আক্তার (৭)। এরা উভয়েই বাতেন টিলা এলাকার মনির আহমদ ও আছিয়া আক্তার মেয়ে ও ক্রংতং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ ও ১ম শ্রেণীর ছাত্রী।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেম জানান, নিখোঁজ হওয়া ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক ও আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্রী ছিল। ঐ সময় সংবাদ পেয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যদেরকে নির্দেশ দেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি।বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত নিখোঁজ দুই শিশুর কোনো খোঁজ মিলেনি বলে জানান স্বজনেরা।নিখোঁজ দুই শিশুর বাবা মনির আহমদ ও আছিয়া আক্তার বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগষ্ট)বেলা ১১টার দিকে বমু খাল পার হয়ে বাড়ির পাশের একটি বিলে ইয়াছমিন ও মুক্তা মনি মাছ ধরতে যায়। দীর্ঘক্ষণ বাড়ি না ফেরার কারণে আমরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। কোথাও খোঁজ না পেয়ে শেষে স্থানীয় প্রশাসনকে জানাই। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ী ফেরার সময় বমুখাল পাড়ি দিতে গিয়ে স্রোতের টানে ভেসে গেছে ইয়াছমিন ও মুক্তা। আরো বমু খালে মুনাফের ঝিরি পার্শ্বে প্রবাহমান পানি নিচের স্থানে তাদের মাছ ধরার উপকরণ জাল ও ডুলা উদ্ধার করা হয়। এক্ষেত্রে তারা পানিতে পড়ে ডুবে গেছেন বলে স্পষ্টত ধারনা করা হচ্ছে।স্থানীয় কয়েকজন জানান,শিশু দুইটি স্রোতের পানিতে ডুবে বালির নিচে চাপাও পড়তে পারেন।যেহেতু দিনের বেলা ১২ টার দিকে পানিতে ডুবে গেলে ঐ দিন রাত্রে বৃষ্টির কারনে উজান থেকে বেশি পানি আসছিল।লামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা সাফায়েত হোসেন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে আমরা নিখোঁজ দুই শিশুকে উদ্ধারে অভিযানে চালাই। গত ৪ দিন আগেও একদল কর্মী ঘটনাস্থল ও আশপাশের এক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও শিশু দুইটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাই চট্টগ্রামে অভিজ্ঞ ডুবুরী টিমকে খবর দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার ওসি অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, পুলিশের একটি টিম নিখোঁজ শিশু দুইটির উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিসকে সহায়তা করছে। পাশাপাশি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরে গত পরশু আমরা নদী পথে এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি খুবই দুঃখ ও আশ্চর্যজনক বলেও তিনি জানান।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :