২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ | ২২ মুহাররম, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  পাকিস্তানে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহত ২৬   ●  সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের মাধ্যমে কংক্রিটের ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে   ●  ঈদগাঁওতে টমটম চালককে হত্যাঃ প্রতিবাদে শ্রমিকলীগের মানববন্ধন   ●  ঈদগাঁওতে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত যুবকের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তরঃ পৃথক দুই মামলা   ●  রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে সরকারের পাশে থাকুন   ●  উখিয়া মাদক কারবারির বাড়ির মাল ক্রোক   ●  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত   ●  ঈদগাঁওতে টমটম চালককে গুলি করে হত্যাঃ অস্ত্রসহ সাবেক সেনা কর্মকর্তার পুত্র ঘাতক আটক    ●  চেয়ারম্যান-মেম্বারের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ‘গুজব’   ●  শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু, শুদ্ধি অভিযান সারাদেশে চলবে : কক্সবাজারে ওবায়দুল কাদের

শহরে মাছ বাজারে “ফণী”র প্রভাব! চড়াদাম

নুরুল আমিন হেলালী: বঙ্গোপসাগরে একদিকে প্রকৃতির বিরুপ প্রতিক্রিয়া অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ফণী আতংক ফলে হঠাৎ করে মাছের বাজারে চড়াদাম। গত কিছুদিন যাবৎ জীবন ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া জেলেরা খালি হাতে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে এসেছে। কক্সবাজারে ফণী‘র প্রভাবে ৪নং স্থানীয় হুশিয়ারী সংকেত বহাল থাকায় দেখা গেছে, শতাধিক বোট কক্সবাজার শহরের ফিশারী ঘাট ও মাঝের ঘাটসহ অন্যান্য আশপাশের এলাকায় নোঙ্গর করেছে। এত করে বোটের মালিক ও জেলেদের মাঝে বিরাজ করছে চরম হতাশা। অন্যদিকে দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র রমযান মাস। রমযান মাসকে সামনে রেখে অনেকে প্রয়োজনীয় সদায় সারতে বাজারে গিয়ে পড়েছে মহা বিপদে। কাঁচা শাকসবজি থেকে শুরু করে বেড়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। সবচেয়ে বেশী বেড়েছে মাছ, মাংস ও দেশী মুরগীর দাম। অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ফণী‘র প্রভাব জেলেদের মধ্যে আরও আতংক বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে হাজার হাজার মাঝি-মাল্লারা পড়ে গেছে চরম বেকায়দায়। জেলেরা জানান, একদিকে ফেণী আতংক অপরদিকে সাগরে মাছের আকাল ফলে বাজারে মাছের সরবরাহ অনেক কম। অন্যদিকে বোট মালিকরা জানান, ঘূর্ণিঝড় ফেণী‘র আগাম বার্তা থাকায় বোট নিয়ে সাগরে যেতে না পারায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের উপকুলীয় এলাকা কুতুুবদিয়া, মহেশখালি, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ, পেকুয়া, কক্সবাজারসদরসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিন ৪ হাজার ছোট-বড় ফিশিং বোট জীবন জীবিকার তাগিদে ছুটে যায় গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে। এ কাজের সাথে জড়িত রয়েছে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মাঝি-মাল্লা। সাগরে মাছ শিকারের পর এরা ফিরে আসে কক্সবাজার শহরের ব্যস্ততম বানিজ্যিক জোনখ্যাত ফিশারিঘাট,মাঝির ঘাটসহ কয়েকটি পল্টন এলাকায়। মৌসুমে শতশত বোট এখানে নোঙ্গর করে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি করে আসছে। তবে সরেজমিনে ফিশারি ঘাটে কয়েকজন জেলের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ফেণী‘র প্রভাব থাকায় ব্যস্ততম এই বানিজ্যিক এলাকা ফিশারিঘাটে মাছ ব্যবসায়ী কিংবা জেলেদের কোলাহল নেই বললেই চলে। এছাড়া মাছ ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ও লক্ষ করা যায়নি। জকরিয়া, রহমান মাঝি,আব্দু শুকুর,করিম উল্লাহসহ কয়েক জেলে জানান, গত কিছুদিন যাবৎ সাগরে মাছের আকাল দেখা দেয়া আর এখন ফেণী আতংকে তারাও পড়েছেন মহা বিপাকে। হাজার হাজার জেলে বেকার হয়ে মানবেতর দিনাতিপাত করছে। মাঝি-মাল্লাদের বিমর্ষ চেহারা আর বোট মালিকদের হতাশায় জেলে পল্লিতে বর্তমানে বিরাজ করছে নিরব দূর্ভিক্ষ। শহরের বড়বাজার, বাহাড় ছড়া বাজার, কানাইয়ার বাজার, কালুর দোকান, কলাতলী বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সামুদ্রীক মাছের সংগ্রহ অনেক কম। যা আছে তাও আবার সাধারন ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। মাছ ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিন, আবু জাফর, কাসেম, রফিকসহ অনেক মাছ ব্যবসায়ী জানান, সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া ফিশিং বোট গুলোর একদিকে ফেণী আতংক অন্যদিকে সাগরে মাছের আকাল ফলে বাজারে এর প্রভাবে মাছের দাম আকাশচুম্বি।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :