২১ আগস্ট, ২০১৯ | ৬ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০


সমুদ্রে প্রাণ হারানো রফিক মাহমুদের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে গভীর সমুদ্রে ভেসে গিয়ে প্রাণ হারানো রফিক মাহমুদের নামাজে জানাজা শনিবার ১০ আগষ্ট এশারের নামাজের পর কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় বইল্ল্যাপাড়া বায়তুল ইজ্জত জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা শাহ আলম ইমামতি করেন।জানাজার আগে বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক এম.এম সিরাজুল ইসলাম ও কক্সবাজার সরকারি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম বক্তৃতা করেন। জানাজায় শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, মরহুমের সহপাঠী সহ প্রচুর মুসল্লীর সমাগম ঘটে। জানাজা শেষে মরহুম রফিক মাহমুদকে বইল্ল্যা পাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। রফিক মাহমুদ কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনার বাসিন্দা জাহেদুল ইসলামের পুত্র। রফিক মাহমুদ কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে ২০১৫ সালে এসএসসি ও ২০১৭ সালে কক্সবাজার সরকারি কলেজ হতে এইচএসসি পাশ করেন। রফিক মাহমুদ উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে আইএলটিএস প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল।
প্রসংঙ্গত, শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার পর রফিক মাহমুদ সহ তার ৫ বন্ধু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে ফুটবল খেলে সমুদ্রে গোসল করতে নামলে ৫ জনই উত্তাল সমুদ্রের ভাটার ঠানে ভেসে যায়। পরে আহমেদ কাদের, ইমরুল শাহেদ ও মোবাশ্বেরুল ইসলামকে লাইফগার্ডের কর্মীরা উদ্ধার করলেও রফিক মাহমুদ (২১) ও রুয়েটের ছাত্র আরিফুল ইসলাম (২১) নিখোঁজ হয়ে যায়। একইদিন বিকেল পৌনে ৫ টার দিকে সমুদ্র সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্টে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরা রফিক মাহমুদের মৃতদেহ উদ্ধার করে। শনিবার রাত সাড়ে ১১ টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রুয়েটের ছাত্র ও শহরের উত্তর রুমালিয়ার ছরার প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র আরিফুল ইসলামের খোঁজ মিলেনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :