২১ আগস্ট, ২০১৯ | ৬ ভাদ্র, ১৪২৬ | ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০


সুখ বাড়ে যে ৮ খাবারে

শরীর-স্বাস্থ্যকে ঠিকঠাক রাখার জন্য প্রতিদিনই নিয়ম করে আমাদের খাবার খেতে হয়। তবে খাওয়াদাওয়া ঠিক আছে, কিন্তু মনটাই যদি ভালো না থাকে তবে তো প্রতিটা দিনকেই ব্যর্থ মনে হয়। তাই খাওয়ার সঙ্গে মনেরও সম্পর্ক আছে বলে মনে করেন গবেষকরা। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।সম্প্রতি নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য হাজির করে গবেষকরা বলেছেন, কিছু খাবার আছে যেগুলোর পুষ্টি উপাদান মানুষের শরীর ও মন দুটোর জন্যই ভালো। একইসঙ্গে ওই খাবারগুলো শরীরকে নানা রোগের থেকে সুরক্ষা দেয়। সুস্বাস্থ্যের পাশাপাশি স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং হার্ট অ্যাটাকেরও ঝুঁকি কমায়।প্রতিদিন নির্দিষ্ট খাবার না খেয়ে মিশ্রিত খাবারের ওপর গুরুত্বারোপ করে গবেষকরা বলেছেন, খাবারে ভ্যারিয়েশন থাকলে রুচি বাড়ে, মনও থাকে ফুরফুরে।

চলুন পাঠক জেনে নিই যে ৮ খাবারে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে

শিমজাতীয় খাবার: এ জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। যে ব্যক্তির মনকে সতেজ রাখে ও শরীরে বাড়তি শক্তির যোগান দেয়। আর তখন সুখের সান্নিধ্যটুকু পাওয়া যায়। ডায়েটেও এই খাবার খুব কার্যকরী।

শাকসবজি: শুধু প্রতিদিন মাছ-মাংস খেলেই হবে না, বরং বেছে নিতে হবে শাকসবজি। কারণ আয়রনের বড় উৎস হচ্ছে সবুজ খাবার। এটি আপনার কোষে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহে সাহায্য করে। মন-মেজাজও ভালো রাখে।

টমেটো: এই খাবারে লাইকোপির নামে এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা মানুষের ফুসফুস ও কোষের প্রদাহ কমায়। মন রাখে উজ্জীবিত।

ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেট মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। এটি খাওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মনে পুলক অনুভব হয়। নিজেকে খুব ভারমুক্ত লাগে।

গরুর মাংস: আজকাল কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ করা হয়। কিন্তু যেসব গরু সবুজ ঘাস খায় সেসব গরুর মাংসে উচ্চ মাত্রার লাইনোলিক অ্যাসিড রয়েছে। যা মানুষের মানসিক চাপের হরমোন কমানোর সঙ্গে পেটের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে। এ ধরনের গরুর মাংসে কম চর্বি ও উচ্চমাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা মানুষের মনে সুখ এনে দেয়।

শতমূলী: এ খবারগুলো মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। কারণ এতে ট্রিপটোফেন নামে এক ধরনের উপাদান মানুষের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখে। একইসঙ্গে শতমূলীতে থাকা উচ্চমাত্রার ফলেট হতাশাও দূর করে।

নারকেল: নারকেলে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড মানব মস্তিষ্ককে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান করতে সাহায্য করে। যা মানুষের মন-মেজাজের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। মানুষ তখন নিজের মধ্যে এক ধরনের সুখ অনুভব করে।

মধু: মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সবচেয়ে ভালো খাবার হচ্ছে মধু। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হতাশা কমিয়ে মস্তিষ্ককে সতেজ ও ফুরফুরে রাখে। কম ক্যালরি থাকায় চিনির বিকল্প হতে পারে মধু।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :