১৪ অক্টোবর, ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৪ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত   ●  নাইক্ষ্যংছড়ির তিন ইউপির ভোট আজ : বহিরাগত ঠেকাতে বারটি তল্লাশিচৌকি   ●  কক্সবাজারে শতাধিক বৌদ্ধ বিহারে প্রবারণা উৎসব শুরু   ●  আলীকদমে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১৩   ●  মহেশখালীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত   ●  আঘাত হেনেছে প্রলয়ঙ্করী টাইফুন, নিহত ১১   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ করবে সেনাবাহিনী- কক্সবাজারের সেনাপ্রধান   ●  যুবলীগের প্রত্যেককে ভালো মানুষ ও ভালো নেতা-কর্মী হতে হবে : সোহেল আহমদ বাহাদুর   ●  রোহিঙ্গাদের যারা ভোটার করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে : অতিরিক্ত সচিব   ●  যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দুক হামলা, নিহত ৪

পর্যটন বিকাশে জেলা প্রশাসনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

সৈকতে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের ড্রেস কোড নির্ধারণ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ব্যবসায়ী ও কর্মচারিরা এখন থেকে নির্ধারিত হলুদ ড্রেস করে ব্যবসা প্রতিষ্টানে দায়িত্বপালন করবেন।

এম.এ আজিজ রাসেল:
বিশ্বের দীর্ঘ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটন বান্ধব উন্নয়নমূল নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে জেলা প্রশাসন। গৃহীত পদক্ষেপ ইতোমধ্যে স্থানীয় ও পর্যটকদের বেশ সুনাম কুঁড়িয়েছে। পর্যটক শিল্প বিকাশে আরেকটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শৃঙ্খলা ও পর্যটক হয়রানী রোধে এবার সৈকত সংশ্লিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের ড্রেস কোড নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। যাতে পর্যটকদের সাথে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্ম না হয়।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন ও প্রটোকল শাখার দায়িত্ব প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জয় জানান, পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলোর সৈকতে পর্যটন ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের নির্দিষ্ট পোশাক রয়েছে। এতে বৃদ্ধি পায় সৈকতের সৌন্দর্য। তাই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে সাজাতে পরিকল্পিত উন্নয়ন করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন।

পর্যটন ও স্থানীয়রা যাতে বিড়ম্বনার শিকার না হয় সেজন্য সৈকতে জেড স্কী মালিক-চালকদের হলুদ, বীচ বাইক মলিক-চালকদের কমলা, কীটকট কর্মচারিদের নীল, ক্যামরাম্যানদের লাল ও হকার ব্যবসায়ীদের জন্য নীল রঙয়ের টি-শার্ট পরিধান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

পাশাপাশি কর্মকর্তা ও মালিকরাও নির্দিষ্ট ডিজাইনের টি-শার্ট পরিধান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। টি-শার্ট গুলোর পেছনে লেখা থাকবে জনসচেতনতামূলক শ্লোগান ও নাম্বার। কোন পর্যটক চালক ও কর্মচারীদের হাতে হয়রানী বা নাজেহাল হলে নাম্বার শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর আনীত অভিযোগ প্রমাণ হলে শাস্তিমূলক বাতিল করা হবে অভিযুক্ত ব্যক্তির কার্ড।

শনিবার বিকালে সৈকতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শৃঙ্খল পরিবেশ। ক্যামরাম্যান ও হকার, জেড স্কী, বীচ বাইক ও কিটকটের কর্মচারি-চালকের গায়ে দেখা গেছে রঙ-বেরঙের গেঞ্জি। তাদের সরব পদচারণায় বালিয়াড়ির বুকে ফুটে উঠেছে বর্ণিল আবহ।

সৈকত জুড়ে এমন পরিবেশ দেখে বেশ সন্তুষ্ট পর্যটকরাও। ঢাকা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক দম্পতি নাফিস আহমেদ ও স্নিগ্ধ্যা আহমেদ জানান, সৈকতে এই পরিবেশ সম্পূর্ণ উন্নত রাষ্ট্রের ন্যায়। এখন কেউ সহজে পর্যটকদের হয়রানী করতে সাহস পাবে না। সৈকতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কক্সবাজার বীচ বাইক মালিক সমবায় সমিতি লিঃ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশ পালনে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সৈকত আমাদের। তাই সৈকতে শৃঙ্খলা ও পর্যটকদের সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত আমাদের জাতীয় সম্পদ। পর্যটন শিল্প বিকাশে আমরা নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সকলের আন্তরিকতা প্রয়োজন। সবাই মিলে সৈকতে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে হবে। যাতে দেশের সুনাম ও পর্যটন সমৃদ্ধি লাভ করে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :