১৪ অক্টোবর, ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন, ১৪২৬ | ১৪ সফর, ১৪৪১


বিবিএন শিরোনাম
  ●  র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত   ●  নাইক্ষ্যংছড়ির তিন ইউপির ভোট আজ : বহিরাগত ঠেকাতে বারটি তল্লাশিচৌকি   ●  কক্সবাজারে শতাধিক বৌদ্ধ বিহারে প্রবারণা উৎসব শুরু   ●  আলীকদমে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১৩   ●  মহেশখালীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত   ●  আঘাত হেনেছে প্রলয়ঙ্করী টাইফুন, নিহত ১১   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ করবে সেনাবাহিনী- কক্সবাজারের সেনাপ্রধান   ●  যুবলীগের প্রত্যেককে ভালো মানুষ ও ভালো নেতা-কর্মী হতে হবে : সোহেল আহমদ বাহাদুর   ●  রোহিঙ্গাদের যারা ভোটার করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে : অতিরিক্ত সচিব   ●  যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে বন্দুক হামলা, নিহত ৪

স্বাধীনতার ৪৮ বছরে ও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাইনি বাইশারীর বাবু থোয়াইছাহ্লা চাক

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের মধ্যম চাক পাড়ার বাসিন্দা বাবু থোয়াইছাহ্লা চাক স্বাধীনতার ৪৮ বছর পার হলে ও এখন ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বিকৃতি পাইনি। তিনি মৃত্যুর আগ মুহুর্ত হলেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বিকৃতি নিয়ে মৃত্যু বরন করতে চায় তিনি। গতকাল এই প্রতিবেদকের সাথে কথা হলে তিনি স্বাধীনতা যুদ্বের অনেক সৃতি বিজড়িত কথা বলে কান্নায় ভেংগে পড়েন। তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্বে ১ নং সেক্টর মেজর রফিকুল ইসলামের অধীনে ক্যাপ্টেন আবদুস সোবহানের নেতৃত্বে যুদ্বে অংশ গ্রহন করেন। যুদ্ব চলাকালীন ফাসিয়াখালি ইউনিয়নের তীরের ডেবা, ঈদগাও,ককসবাজার এলাকায় দায়িত্বরত ছিলেন। এছাড়া আলীক্ষ্যং এলাকার নোয়া ম্রু পাড়ার লাব্রে ম্রু তার সহযোদ্ধা হানাদার বাহিনীর গুলিতে প্রান হারান ও শহীদ হন  এসব যুদ্ধ চলাকালীন তিনি ও সাথে ছিলেন এবং প্রানে রক্ষা পান বলে জানান।বাবু থোয়াইছাহ্লা চাক যুদ্বের পর দীর্ঘকাল যাবত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন।বর্তমানে অবসর নেওয়ার পর এখন বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যক্তিগত জিবনে তার কোন চাওয়া পাওয়া নেই। শুধু মাত্র চাওয়া পাওয়া হল একজন মুক্তিযোদ্বার স্বিকৃতি।বাবু থোয়াইছাহ্লা চাক যুদ্ধ চলাকালীন ইন্ডিয়ান ফোর্সের সাথে ২১ দিনের অস্র প্রশিক্ষণ সহ রন কৌশলের প্রশিক্ষনে ও অংশ গ্রহন করেন। একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়ে ও এ পর্যন্ত স্বিকৃতি না পাওয়ায় বৃদ্ব বয়সে হতাশা বোধ করছেন।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তার সহযোদ্বা মোঃ,হাসেম, মইয়েং রাখাইন সহ অনেকেই জানান থোয়াইছাহ্লা চাক তাদের সাথে যুদ্বে অংশ গ্রহণ করেছেন। কেন তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা র তালিকাভুক্ত হয়নি সে নিয়ে তারা ও চিন্তিত।সরজমিনে গিয়ে এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭৪ সালে দিনে দূপুরে একবার চাক পাড়া ডাকাতি সংঘটিত হয়েছিল। ঐ সময় ডাকাতদলের সদস্যরা তার বাড়ীতে ও লুটতরাজ চালিয়ে জেনারেল ওসমানীর দেওয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট, জায়গা জমির কাগজ পত্র সব কিছু পুড়িয়ে ফেলে। যার ফলে সার্টিফিকেট দেখাতে পারছেননা। থোয়াইছাহ্লা চাক জানান ডাকাত দলের সদস্যরা সার্টিফিকেট টি পুড়িয়ে ফেলার পর কয়েক দফা কাগজ পত্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যলয় সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানা হয়েছে এবং বছাই তালিকাতে ও তার নাম লিপিবদ্ধ অাছে। তিনি বেতন ভাতা কিছুই চাননা। শুধু মাত্র মুক্তিযোদ্ধা র স্বিকৃৃতি নিয়ে মরতে চাই।এসব বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষে কামনা করছেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।





আপনার মতামত লিখুন :